আজ্জুরিদের বিপক্ষে গত সেমির বদলা নিতে তৈরি স্পেন

ইউরোর মরণগ্রুপ ‘ডি’ গ্রুপের সবচেয়ে জমজমাট ম্যাচে আজ রাত ১টায় গেলসেনকির্চেনে চ্যাম্পিয়ন ইতালির মুখোমুখি হবে স্পেন। নিজেদের প্রথম ম্যাচে দাপট দেখিয়ে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দেয় ক্রোয়েশিয়াকে। আর আলবেনিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখার যাত্রার শুভ সূচনা করে ইতালি।

ক্রোয়াটদের হারানোর পর দেশটির গণমাধ্যম মার্কা স্পেনের নাম দেয় ‘লা নুয়েভা এসপানা’ যার অর্থ ‘নতুন স্পেন’। লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে পরাক্রম স্পেনের নৈপুণ্যে চতুর্থ শিরোপা স্বপ্ন দেখছে দেশটির সমর্থকরা। দারুণ ছন্দে আছেন অধিনায়ক আলভারো মোরাতা। লামিন ইয়ামাল, ফাবিয়ান রুইজ ও দানি কারভাহালরা আছেন ফর্মের তুঙ্গে। ম্যাচে জয় ছাড়া কিছুই ভাববে না তিনবারের ইউরো চ্যাম্পিয়নরা।

ইতালির কাছে সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে হেরে গত ইউরো থেকে বাদ পড়েছিলো স্পেন। আজ্জুরিদের হারিয়ে সেই প্রতিশোধও নিতে চাইবেন তারা। মূল একাদশেই থাকবেন নাচো ফার্নান্দেজ, পেদ্রি, রদ্রি ও নিকো উইলিয়ামস। দলে নেই কোনো ইনজুরি সমস্যা। সম্ভাব্য ৪-৩-৩ ফরমেশনে দল সাজাবেন স্প্যানিশ কোচ ফুয়েন্তে। আগের ম্যাচে বড় ব্যবধানের জয় এই ম্যাচে এগিয়ে রাখবে স্প্যানিশদের। গোলরক্ষক উনাই সিমোন যেমন বলেছেন, ‘এখন আমরা, গণমাধ্যম এবং সমর্থক সবাই এই দলটির ওপর গর্ব করছি, যা করছি, যেখানে যেতে চাইছি সে বিষয়ে।’

২৩ সেকেন্ডের মাথায় ইউরো ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুততম গোল হজম করার পরও ঘুরে দাঁড়িয়ে নিজেদের শক্তি জাহির করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ডিফেন্সে বরাবরই শক্তিশালী ইতালির স্পেনের বিপক্ষে পরিসংখ্যান সাম্প্রতিক সময়ে ভালো না। শেষ পাঁচ দেখার তিনটিতেই হারতে হয়েছে ইতালিকে। বাকি দুটি ম্যাচ হয়েছিলো ড্র।

তবে ইউরোতে তাদের পরিসংখ্যান একেবারেই ভিন্ন। ১০ দেখায় মাত্র একবার হেরেছে ইতালি, সেটি অবশ্য ২০১২ আসরের ফাইনালে। এছাড়া ৪ জয়ের বিপরীতে আছে ৫টি ড্র। তাই স্প্যানিশদের বিপক্ষে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করবেন কোচ লুসিয়ানো স্পালোত্তি। মিডফিল্ডার ডাভিদ ফ্রাত্তেসি তাই স্পেনের শক্তির জায়গা মেনে নিয়ে বলেছেন, ‘এখন স্পেন আমাদের চেয়ে শক্তিতে এগিয়ে থাকা দল। তবে আমরা খেলায় ইতালিয়ান স্পিরিট নিয়ে নামবো, আমরা দলগতভাবে লড়াই করবো।’ মাঝমাঠে ইতালির ভরসা নিকোলো বারেল্লা, ফেদ্রিকো কিয়েসা ও জর্জিনহো। ৩-৪-২-১ ফরমেশনে দল সাজাতে পারেন ইতালির কোচ।