ভিসা প্রক্রিয়া শেষ করে চূড়ান্ত ছাড়পত্র নিয়েও ১৬ হাজার ৯৭০ বাংলাদেশি কর্মীর মালয়েশিয়া যেতে না পারার ঘটনায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, জানতে চেয়েছে উচ্চ আদালত। এ বিষয়ে করা একটি রিট আবেদনের শুনানিতে গতকাল রবিবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এসএম মাসুদ হোসাইন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ মৌখিকভাবে এ আদেশ দিয়েছে।
সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে আদালতকে জানাতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাতে রিট আবেদনকারী আইনজীবী জানান, গত ১৫ বছরে অন্তত তিনবার মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার বন্ধ থাকার পর কর্মীদের বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে অসাধু সিন্ডিকেট বা চক্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম ও ঘুষ লেনদেনের তথ্য উঠে আসে। ২০১৬ সালে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুললেও রিক্রুটিং এজেন্সির অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে আবার ওই দেশে বাংলাদেশিদের শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়।