সিমেন্ট শিট ব্যবহারে খামারে উৎপাদন বেড়েছে ৯ শতাংশ

সিমেন্ট শিট ব্যবহারের ফলে ডিম, দুধ ও মাংস উৎপাদন প্রায় ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ সিমেন্ট শিট ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি বলছে, দেশের প্রাণিসম্পদ খাত, বিশেষ করে হাঁস-মুরগি ও গবাদি পশু উচ্চ তাপমাত্রার ঝুঁকিতে রয়েছে, যা এ খাতের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ। এই দুশ্চিন্তা কমাতে সিমেন্ট শিট বড় ভূমিকা রাখতে পারে। শিটগুলো ছয় স্তরের হওয়ায় অতিরিক্ত গরমের সময় শেডের ভেতরের তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে, এতে শেডের ভেতরের পরিবেশ তুলনামূলক শীতল থাকে। যা মুরগি ও গবাদি পশুর হিট স্ট্রোকে মৃত্যু হ্রাস করে।

গতকাল সোমবার রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘সবুজ নির্মাণ : সিমেন্ট শিট যেভাবে বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিকে রূপান্তরিত করছে’ শীর্ষক কর্মশালায় অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা এসব তথ্য জানান।

সিমেন্ট শিট শিল্পের বড় উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আনোয়ার গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াইজ আর হোসেন বলেন, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে গবাদিপশু হাঁস-মুরগি উৎপাদনে সিমেন্ট শিট ব্যবহারে নীরব বিপ্লব ঘটেছে। দেশে সিমেন্ট শিট ব্যবহারের ফলে ডিম, দুধ ও মাংস উৎপাদন প্রায় ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সিমেন্ট শিট মৎস্য ও গবাদি পশুকে রোগব্যধি থেকে শুধু রক্ষাই করছে না সেই সঙ্গে মৃত্যুহার প্রায় ১০ শতাংশ কমাচ্ছে।