উন্নত বীজে ফলন বাড়বে ১০ শতাংশ

বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশে বীজের ৫০ শতাংশ সরবরাহ করা হয়। বাকি ৫০ শতাংশ বীজ কৃষকরা নিজেরাই সংরক্ষণ করেন। এসব বীজে কোনো না কোনো ত্রুটি থাকে। বীজ সংরক্ষণে কৃষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সঠিক বীজ নিশ্চিত করা গেলে শুধু উন্নত বীজ দিয়েই দেশে ১০ শতাংশ বাড়তি ফসল ফলানো সম্ভব বলে মনে করেন কৃষিবিদরা।

গতকাল মঙ্গলবার পল্লী-কর্মসংস্থান সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএফএস) আয়োজিত ‘মানসম্পন্ন বীজের চাহিদা পূরণে পিকেএসএফের উদ্যোগ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তারা এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সিড অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা আনোয়ার ফারুক বলেন, কৃষির উন্নয়নে গৃহীত পরিকল্পনায় কৃষকের উৎপাদিত ফসলের দাম নিশ্চিত করতে পরিকল্পনা থাকতে হবে, মার্কেটিংয়ে লিকেজ বন্ধ করতে হবে। কৃষক ফসল ফলিয়ে বিক্রি করতে পারেন না, সরকার নির্বিকার বসে থাকে। উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা গেলে কৃষক বেশি বেশি ফসল ফলাবেন।

তিনি বলেন, ‘১৯৯৯ সালে দেশে আমদানি করা হাইব্রিড বীজের যাত্রা শুরু হয়। এখন ৯০ শতাংশ বীজ দেশেই উৎপাদিত হয়। কিছু হাইব্রিড ধানের বীজ বিদেশেও রপ্তানি হয়। আমাদের দেশেই সে সক্ষমতা আছে।’

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সদস্য পরিচালক (বীজ ও উদ্যান) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রতিবছর দশমিক ৭০ শতাংশ হারে আবাদি জমি কমছে। আর জনসংখ্যা বাড়ছে ২১-২২ লাখের মতো। এই বাড়তি মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা সৃষ্টিতে কৃষিতে উৎপাদন বাড়াতে হবে। দেশের মাটি থেকে উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে।