নুরের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননা নিয়ে রায় ১১ জুলাই

গণ অধিকার পরিষদের (একাংশ) সভাপতি ও ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ নিয়ে রায় জানা যাবে আগামী ১১ জুলাই। এ-সংক্রান্ত রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে গতকাল বুধবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের জন্য এদিন ঠিক করে।

আদালতে নুরের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী কায়সার কামাল।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমাদের যুক্তি ছিল নুরের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ সেটি সংঘটিত হয়েছে। তার বক্তব্যের কারণে বিচার বিভাগ নিয়ে মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়েছে। আমরা তার সাজা চেয়েছি, সেটা প্রতীকী হলেও।’

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সাংবাদিকদের বলেন, নুরুল হক নুর ঘটনার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। ভবিষ্যতে আদালত নিয়ে মন্তব্যের বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছে।

গত ৭ ডিসেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর পুরানা পল্টন পানির ট্যাংকি এলাকায় এক সমাবেশে রাজনৈতিক প্রসঙ্গসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের সাজা নিয়ে বিচারকদের উদ্দেশে মন্তব্য করেন নুর। তার বক্তব্য-সংবলিত প্রতিবেদন ১৭ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের নজরে আনে। ওইদিন হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নুরের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুলসহ তাকে ১৭ জানুয়ারি হাজির হতে তলব করে। ওইদিন হাজির হলে তাকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন নির্ধারণ করে হাইকোর্ট। ওইদিন (১৫ ফেব্রুয়ারি) লিখিত বক্তব্যটি অসম্পূর্ণ হওয়ায় আবেদনটি গ্রহণ না করে তাকে গত ৬ মার্চ হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। ওইদিন হলফনামা আকারে তার বক্তব্য আইনজীবীরা দাখিল করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রুলের ওপর শুনানি নিয়ে রায়ের দিন ঠিক করে আদালত।