‘পরিবেশ দূষণ রোধে ইপিআর কার্যকর ভূমিকা রাখবে’

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেছেন, সরকার প্লাস্টিক খাতকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত রপ্তানি খাত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এ সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী এবং কার্যকরী। এক্সটেনডেন্ড প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি (ইপিআর) বাস্তবায়িত হলে শিল্পায়নের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ অনেকটা সম্ভব হবে। গতকাল সোমবার রাজধানীর হাটখোলায় এফবিসিসিআই ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার ভবনে ‘এক্সটেনডেন্ড প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি (ইপিআর)’বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি এবং ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মো. জসীম উদ্দিন বলেন, শ্রম এবং মূলধনকে একত্রিত করে প্লাস্টিক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির অভ্যন্তরীণ বাজার এবং রপ্তানিমুখী বাজার উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআইর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, ভাইস চেয়ারম্যান এমএ মোমেন, বিপিজিএমইএ সভাপতি শামিম আহমেদ প্রমুখ।