রাজশাহীর মোহনপুরে উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসা. হাবিবা বেগমকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বিকেল চারটার দিকে উপজেলার একটি কোয়ার্টার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হরিদাস মন্ডল তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, গত সোমবার (২২ জুলাই) মোহনপুর থানায় কর্মরত পুলিশের দুই মহিলা কনস্টেবলের উপর হামলার অভিযোগে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসা. হাবিবা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে শান্তনা রানী মহন্ত নামে একজনের হাত কামড়িয়ে আহত করেন হাবিবা। আহত অপর কনস্টেবলের নাম সাথী রানী। আহত শান্তনা রানী মহন্ত বাদি হয়ে গতকাল মোহনপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২২জুলাই সোমবার রাতে বাকশিমইল কাঁচা বাজারে সাথী রানী শীল ও শান্তনা মহন্ত বাজার সেরে বাসায় ফিরছিলেন। অসুস্থ থাকায় কনস্টেবল সাথী রানী শীলের হাতে ক্যানুলা লাগানো ছিলো। বাজারে ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবার সঙ্গে তাদের দেখা হয়। ইনজেকশন দেওয়ার কারণে সাথী রানীর হাতে ক্যানুলা ছিল। হাবিবা এ সময় জিজ্ঞাসা করেন সাথী রানী শীলের হাতে কী হয়েছে? তারা দু-একটি কথা বলে সেখান থেকে চলে আসার চেষ্টা করলে শেখ হাবিবা গালাগাল শুরু করেন।
শান্তনা দাবি করেন, এ সময় ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবা বলেন- মোহনপুর থানায় চাকরি করতে হলে আমার কথামতো চলতে হবে। তিনি তাদের তুই বলে সম্বোধন করেন। এই সময় দুই কনস্টেবলকে তিনি লাথি মেরেছেন। চুল ধরে মারধরও করেছেন। এর মধ্যে শান্তনা মহন্ত নামের কনস্টেবলের বাম হাতের কবজিতে কামড় দিয়ে আহত করেছেন ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবা।
দুই পুলিশ সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় হাবিবার বিরুদ্ধে মোহনপুর থানায় বৃহস্পতিবার মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মোহনপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) হরিদাস মন্ডল জানান, হাবিবা বেগমকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।