অর্ধেকে নেমেছে যাত্রী পারাপার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের যাত্রী পারাপার অর্ধেকে নেমে এসেছে। কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতগামী মানুষের যাতায়াত কমে গেছে।

ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে এক হাজার যাত্রী পারাপার হয়। কিন্তু চলমান পরিস্থিতিতে গত ২০ জুলাই থেকে এই সংখ্যাটা অর্ধেকে নেমেছে। এখন প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৫৫০ যাত্রী পারাপার হচ্ছে এই পথে। রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হলে যাত্রী পারাপার বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আখাউড়া স্থলবন্দরের কাস্টমস ভবনে সোনালী ব্যাংকের বুথের সামনে কথা হয় চট্টগ্রামের বাসিন্দা সোহেল আরমানের সঙ্গে। তিনি জানান, তার মায়ের চিকিৎসার জন্য ভারতে যাচ্ছেন। দেশে চলমান পরিস্থিতিতে ট্রেন চলাচল বন্ধ। তাই মা ও স্ত্রীকে নিয়ে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে প্রাইভেট গাড়িতে করে আখাউড়া স্থলবন্দরে এসেছেন।

আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খাইরুল আলম বলেন, ‘গত এক সপ্তাহে আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপারের সংখ্যা অন্য সময়ের চেয়ে কিছুটা কমেছে। এই চেকপোস্ট দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ যাত্রী যাতায়াত করে। বর্তমানে সংখ্যাটা অর্ধেকে নেমেছে।’

তিনি আরও জানান, ইমিগ্রেশনে খুব দ্রুত সময়ে যাত্রীদের পাসপোর্টের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। এতে যাত্রীরা স্বল্পসময়ে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে। রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হলে যাত্রী পারাপার বাড়বে বলে তিনি মনে করেন।

আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার (রাজস্ব) ইমরান হোসেন জানান, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর আখাউড়া। ভৌগোলিক অবস্থানের ফলে এই বন্দর ব্যবহারে দিন দিন যাত্রীদের আগ্রহ বাড়ছিল। তবে দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে এই মুহূর্তে যাত্রী পারাপার কিছুটা কমে এসেছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে যাত্রী পারাপার বাড়বে বলে মনে করছেন তিনি।