আ.লীগ নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা লুটপাট

পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকার পদত্যাগের খবরের পর উল্লসিত জনতা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল লুটে নিয়েছে।

গতকাল দুপুরে উপজেলা আ.লীগ কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ এবং আওয়ামী সমর্থকের দোকানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় সন্ধ্যা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের খুঁজতে গিয়ে তাদের বাড়িতে বিচ্ছিন্নভাবে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

জানা যায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, দপ্তর সম্পাদক অধ্যাপক মাইনুল ইসলামসহ প্রচার সম্পাদক আনিসুজ্জামান সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির মৃধা, শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ছাত্র লীগের সভাপতি সহিদুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সবুজ সিকদারের বাড়িতে হামলা করে দুর্বৃত্তরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ২৫-৩০ জন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলা কমপ্লেক্স, পবিপ্রবি ক্যাম্পাসে ঢুকে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ও সাইনবোর্ড ভাঙচুর করে। পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুঠপাট চালায়।

দুমকি উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক অধ্যাপক মাইনুল ইসলাম মোবাইলে বলেন, বিএনপি জামায়াতের দুর্বৃত্তরা তাকে খুঁজতে গিয়ে বাসায় না পেয়ে দরজা, জানালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে।

এ সময় দুমকি থানার পুলিশ নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মাহমুদকে অবহিত করা হলেও তিনি কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্তদের।