বৃষ্টিতে ছড়িয়ে পড়েছে বর্জ্য, দুর্গন্ধে চলা দায়

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার কোদালিয়া রেলগেটের পশ্চিম পাশে সড়কে নিয়মিত পৌরসভার বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এতে সড়ক দিয়ে চলাচলকারী স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীকে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। বৃষ্টিতে পৌরসভার বাইপাস সড়কের দুপাশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বর্জ্যগুলো চতুর্দিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছে। ফলে দুর্গন্ধ আরও কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

জানা যায়, এক বছর ধরে লাকসাম-নাঙ্গলকোট-ঢালুয়া-চিওড়া বিশ্বরোড সড়কের ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের আউটার সিগন্যাল সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দুপাশে পৌরসভার সব বর্জ্য ফেলা শুরু করে পৌর কর্তৃপক্ষ। সড়কটি দিয়ে ঢাকাগামী জোনাকী পরিবহন, কুমিল্লা সুপার সার্ভিসের বাসসহ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, মালবাহী ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ ছোট-বড় যানবাহন চলাচল করে। এছাড়া উপজেলার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী, পথচারী ও উপজেলা অফিসগামী লোকজন সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করেন।

পৌরসভার বর্জ্যরে দুর্গন্ধময় পরিবেশে যাত্রী ও পথচারীরা নাক চেপে সড়কটি দিয়ে চলাচল করেন। ময়লার দুর্গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ায় আশপাশের বাড়িঘর ও বাসাবাড়ির লোকজনকেও অসহনীয় পরিবেশের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। বর্জ্য ফেলার স্থানটির পশ্চিম পাশে পদ্মা হসপিটাল নামে একটি প্রাইভেট হাসপাতালও রয়েছে। দুর্গন্ধে হাসপাতালে আসা রোগীসহ স্বজনরা চরম বিপাকে রয়েছেন।

নাঙ্গলকোট হাছান মেমোরিয়াল সরকারি কলেজ শিক্ষার্থী আল-আমিন জানান, ময়লার দুর্গন্ধে নাক চেপে সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে হয়। শিগগিরই এ অবস্থার অবসান হওয়ার দরকার। 

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক শাহ আলম বলেন, সড়কটির দুপাশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় বর্জ্য পচে গিয়ে দুর্গন্ধ আরও বেড়েছে।

এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ বলেন, ‘পৌরসভার সুপারভাইজারকে দ্রুত বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হবে।’