কোটা সংস্কার আন্দোলনকালে সংঘঠিত গণহত্যার বিচার এবং পরবর্তী সংঘাত-সহিংসতা বন্ধে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা সদরের বাহেরচর বাজারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পরে উপজেলা সদরের সড়ক এবং রাঙ্গাবালী থানা ঘুরে বাহেরচর চৌরাস্তায় পথসভা করেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা বলেন, শহীদ আবু সাঈদ এবং মুগ্ধের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। নির্বিচারে চালানো গুলি এবং এই গণহত্যার বিচার হতেই হবে। এ ছাড়া স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংখ্যালগুদের ধর্মীয় উপাসনালয়ে সন্ত্রাসীদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।
তারা আরও বলেন, ‘দেশকে সংস্কারের এখনই সুযোগ। সুতরাং মাদক, চাঁদাবাজি, ঘুষ-দুর্নীতি, সহিংসতা, কালোবাজারি, অবৈধ দখলদারিত্ব এবং সন্ত্রাসী কর্মকা- রুখে দিতে ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধ। লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। আওয়ামী স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটাতে শিক্ষার্থীদের সময় লেগেছে ২৫ দিন।
আর যারা এখন পর্যন্ত ক্ষমতায়ই আসেনি, তাদের সরাতে ২৫ মিনিটও সময় লাগবে না। অরাজকতা করতে চাইলে হাত ভেঙে দেবে ছাত্রসমাজ।’
এ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী তানজিমুল আবিদ, পটুয়াখালী সরকারি কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী তাইমুন ইসলাম সুইম, সরকারি কবি নজরুল কলেজের মেজবাফুল আলম হৃদয়, নর্দান ইউনিভার্সিটির ইমরুজ মাহমুদ রুদ্র, রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের সাবিত প্রমুখ।