স্টক এক্সচেঞ্জের স্বতন্ত্র পরিচালকদের পদত্যাগের নির্দেশ

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই ও সিএসই) সব স্বতন্ত্র পরিচালককে পদত্যাগ করতে মৌখিকভাবে নির্দেশনা দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সংস্থার নতুন চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ আনুষ্ঠানিকভাবে গতকাল মঙ্গলবার দায়িত্ব পালনের প্রথম দিনে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গতকাল রাতে দেশ রূপান্তরের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এসইসির-সংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। এমনকি স্টক এক্সচেঞ্জের এক পরিচালকও এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ১৮ আগস্ট ডিএসইর চেয়ারম্যান ড. হাফিজ মো. হাসান বাবু এসইসির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহসীন চৌধুরীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছিলেন।

মালিকানা থেকে স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পৃথকীকরণের পর গত ১০ বছরেরও বেশি সময় ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে স্বতন্ত্র পরিচালকরা নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। আইন অনুযায়ী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ১৩ জনের পরিচালনা পর্ষদের সাতজনই স্বতন্ত্র পরিচালক। স্বতন্ত্র পরিচালকরাই স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়ে আসছেন। যদিও গত ১০ বছরে পরিচালনা পর্ষদ স্টক এক্সচেঞ্জের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা রাখতে পারেননি। উল্টো স্বতন্ত্র পরিচালকদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে ডিএসইর স্বতন্ত্র পরিচালক অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ পদে থাকা অবস্থায় সুবিধা নিয়ে বেআইনি বা অনৈতিকভাবে কোনো শেয়ার ব্যবসা করেছেন কি না, তা অনুসন্ধানে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করেছে এসইসি। কারসাজির কারণে যেসব কোম্পানিকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, তিনি এর অধিকাংশের শেয়ার লেনদেন করে সুবিধা নিয়েছেন কি না এবং এসইসি যেসব কোম্পানির পর্ষদ ভেঙে নতুনভাবে পর্ষদ গঠন করেছে, সেগুলোর বিষয়ে আগাম তথ্য জেনে শেয়ার কেনাবেচা করে লাভবান হয়েছেন কি না, তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।