মাঠের আগে আলোচনার টেবিলে ক্লাবগুলো 

শেষ হয়েছে দলবদল। যা অনেক ক্লাবের কাছে এবার গলার কাঁটা হয়ে উপস্থিত হয়েছিল। রাজনৈতিক পালাবদলে ফুটবল ক্লাবগুলোর নাভিশ্বাস উঠেছে। তারপরও ১০টি ক্লাব সেরেছে দলবদল। এবার নিজেরা আলোচনার টেবিলে বসে কিছু কিছু ব্যাপারে একাট্টা হয়েছে তারা। মৌসুম শুরুর আগে বিষয়গুলোর ব্যাপারে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত চান ক্লাব কর্তারা। সোমবার মোহামেডান ক্লাবের বোর্ড কক্ষে ৮টি ক্লাবের কর্তারা মিলিত হন। আগামীকাল ফের তারা বসবেন বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ও পেশাদার ফুটবল লিগ ম্যানেজমেন্ট কমিটির অফিসে।

চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে ক্লাবগুলোর আসছে মৌসুমে নির্বিঘ্নে খেলা চালিয়ে যাওয়া কঠিন। তাই তারা সবাই চাচ্ছে ব্যয় কমিয়ে খেলায় অংশ নিতে। আসছে মৌসুমে তারা চাচ্ছে ঢাকা এবং তার আশপাশের ভেন্যুতে গিয়ে খেলতে এবং ভেন্যুগুলো দেখভালের দায়িত্ব যাতে বাফুফে এবার নেয়, সেই প্রস্তাব ক্লাবগুলো রাখবে।

মোহামেডান ক্লাবের পরিচালক ও ফুটবল সেক্রেটারি আবু শায়ান চৌধুরী প্রিন্স বলেন, ‘এ মুহূর্তে ঢাকার বাইরের ভেন্যুগুলোতে আমাদের পক্ষে খেলা সম্ভব নয়। ঢাকা ও তার আশপাশের ভেন্যুগুলোতে খেলা হলে ঠিক আছে। আর আমরা চাইবো পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাফুফে যাতে ভেন্যুগুলোর ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নেয়।’

প্রিন্স আরও জানান, বাফুফের কাছে ক্লাবগুলো দীর্ঘদিন ধরে কোনো পার্টিসিপেশন মানি পায় না। আমরা গত দুই মৌসুমসহ আসছে মৌসুমের পার্টিসিপেশন মানি বাফুফেকে দেওয়ার অনুরোধ জানাব। তাছাড়া নিরপেক্ষ রেফারিং, লিগ কমিটিতে ক্লাব প্রতিনিধিদের রাখা ও আগামী মৌসুম থেকে বিদেশি কোটা দুজনে নামিয়ে আনার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। আমরা আগামীকাল (মঙ্গলবার) আবারও বসবো লিগ কমিটির সভাপতি ও বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল ভাইয়ের (হাসান) অফিসে।’