রোমাঞ্চকর সিরিজ জয়ের পথে বাংলাদেশ

রাওয়ালপিন্ডির আকাশে মেঘ কেটে গেছে। একইসঙ্গে কেটে গেছে বাংলাদেশের শঙ্কাও। দিনের প্রথম ঘণ্টায় দুই ওপেনারকে হারালেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুমিনুল হক প্রতিরোধ গড়েন। ২৪ বছরের টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশ এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দুবার ও জিম্বাবুয়েকে একবার ধবলধোলাই করেছে। মধ্যাহ্ন বিরতির পর বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৫৩ রান। জয়ের জন্য তাদের আরও ৩২ রান করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার জয়ের জন্য টাইগারদের প্রয়োজন ছিল ১৪৩ রান। বৃষ্টির শঙ্কা মাথায় নিয়েই ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। আগের দিন বিনা উইকেটে ৪২ রান তোলা ওপেনিং জুটি আজ বিচ্ছিন্ন হয় ৫৮ রানে। মির হামজার বলে বোল্ড হয়ে যান ৩৯ বলে ৪০ রান করা জাকির হাসান। এর কিছু পরই খুররকম শাহজাদের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন সাদমান ইসলাম (২৪)। এর আগে তিনি ১৭ রানে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে গিয়েছিলেন।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুমিনুল হকের ব্যাটে এগোতে থাকে বাংলাদেশ। ৫৭ রানের এই জুটি ভাঙে মধ্যাহ্ন বিরতির পর। আগা সালমানের বলে শর্ট লেগে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। আউট হওয়ার আগে খেলেন ৮২ বলে ৩৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। মুমিনুলের সঙ্গী হন মুশফিক। তবে এই জুটি বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি। আবরার আহমেদকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ধরা পড়েন ৭০ বলে ৩৪ রান করা মুমিনুল। দল তখন জয় থেকে ৩২ রান দূরে।

উল্লেখ্য, রাওয়ালপিন্ডিতে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন বৃষ্টির কারণে টসই হতে পারেনি। দ্বিতীয় দিন টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৭৪ রানে অল-আউট হয় পাকিস্তান। জবাবে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু লিটন দাস আর মেহেদি মিরাজের অবিশ্বাস্য জুটিতে টাইগাররা থামে ২৬২ রানে। এরপর পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে দেখা যায় টাইগারদের পেস তাণ্ডব। হাসান মাহমুদের ৫টিসহ তিন পেসার নেন ১০ উইকেট। পাকিস্তান ১৭২ রানে অল-আউট হলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের টার্গেট দাঁড়ায় ১৮৫ রানের।