রসাটমের ব্যাখ্যা

রূপপুরের সঙ্গে কুদানকুলামের ব্যয় তুলনা ঠিক নয়

পাবনার রূপপুরে নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং ভারতের কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনামূলক ব্যয় নিয়ে সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে তা সঠিক নয় বলে জানিয়েছে রসাটম।

গতকাল মঙ্গলবার রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে, বিশেষত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং ভারতের কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের তুলনামূলক ব্যয় সংক্রান্ত একটি বিষয়ের প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। বিষয়টি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে বলে আমরা মনে করি।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘বাণিজ্যিক গোপনীয়তার স্বার্থে রসাটম এবং তার পার্টনাররা পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়টি কখনোই প্রকাশ করে না। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয়ের সঙ্গে কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় তুলনা করাটা সঠিক বলে আমরা মনে করি না।’

রসাটম জানিয়েছে, কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ শেষে যথাক্রমে ২০১৩ ও ২০১৬ সালে ভারতের জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হয়। একই সাইটে দ্বিতীয় ধাপে বর্তমানে তৃতীয় ও চতুর্থ ইউনিট নির্মাণাধীন রয়েছে। অন্যদিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ছিল একটি ‘গ্রিনফিল্ড প্রকল্প’  যেখানে পুরো অবকাঠামো শূন্য থেকে নির্মাণ করতে হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে আমরা দুটি পরমাণু বিদ্যুৎ ইউনিট ইপিসি (ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট, কন্সট্রাকশন) ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করছি, যার মধ্যে নির্মাণ ও ইন্সটলেশন ছাড়াও কমিশনিং ব্যয় (প্রকল্প ব্যয়ের প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ) অন্তর্ভুক্ত।