বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় (২০১০-১১ সাল) চুক্তিভিত্তিক অ্যাডহক (অস্থায়ী) ও বিভিন্ন সময়ে চুক্তিভিত্তিক (প্রকল্প) নিয়োগপ্রাপ্ত ২ হাজার ৩৪৬ জনকে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিদ্যমান সরকারি চাকরিবিধি ভঙ্গ করে অবৈধভাবে এনক্যাডারমেন্টকরণ ও বিধিবহির্ভূত পদোন্নতি দেওয়ায় প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানিয়েছে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে অবৈধভাবে অ্যাডহক নিয়োগ ও এনক্যাডারমেন্ট বাতিলের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
গতকাল শনিবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে জানান স্বাস্থ্য ক্যাডার চিকিৎসকরা। সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য তুলে ধরেন অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ডা. মোহাম্মদ নেয়ামত হোসেন ও সদস্য সচিব ডা. উম্মে তানিয়া নাসরিন (২৮তম বিসিএস) এবং অ্যাসোসিয়েশনের মহাখালী ইউনিটের আহ্বায়ক ডা. আসিফ মাহমুদ ভাস্কর ও সদস্য সচিব ডা. তৌফিক আহমেদ।
এ সময় পাঁচটি দাবি তুলে ধরে জানানো হয়, সব ধরনের অবৈধভাবে স্থায়ীকরণ, পদোন্নতি এবং অবৈধ পদায়ন বাতিল করতে হবে। চলমান প্রমার্জনার সব প্রক্রিয়া স্থায়ী আদেশভাবে বাতিল ঘোষণা করতে হবে এবং এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সরকারি চাকরিবিধির লঙ্ঘন করে ক্যাডার পদগুলোতে ভিন্ন নিয়োগবিধির আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত অ্যাডহক ও প্রকল্প কর্মকর্তাদের পদায়ন ও পদোন্নতি দেওয়া শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কিছু দুষ্কৃতকারী কর্মকর্তা। এখন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ শতাধিক ভুয়া পদায়ন এবং ক্যাডার কর্মকর্তাকে অ্যাডহকদের অধীনস্থ করা হয়েছে।