নদীভিত্তিক পর্যটনে মিসরের সহায়তা চায় ডিসিসিআই

বাংলাদেশের নদীভিত্তিক পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে মিসরের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা চেয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)’র সভাপতি আশরাফ আহমেদ। গতকাল ডিসিসিআই নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এদ্দিন আহমেদ ফাহমির সাক্ষাতের সময় তিনি এ সহায়তা চান।

রাষ্ট্রদূতকে ঢাকা চেম্বার সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের হিমায়িত খাদ্য, চিংড়ি এবং সুস্বাদু আম ইউরোপসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশে প্রচুর পরিমাণে রপ্তানি হচ্ছে, যা মিসরেও রপ্তানি হতে পারে। বাংলাদেশ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি, চামড়াজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, সিরামিক, ওষুধ প্রভৃতি পণ্য বেশি হারে আমদানির জন্য মিসরের উদ্যোক্তাদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের নদীভিত্তিক পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে মিসরের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ওপর জোরারোপ করেন আশরাফ আহমেদ। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে মিসরীয় পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অন্যতম প্রবেশদ্বার হিসেবে বিবেচিত হতে পারে এবং বাংলাদেশের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে একক ও যৌথ বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য মিসরীয় উদ্যোক্তাদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এদ্দিন আহমেদ ফাহমি বলেন, দুদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক এখনো আশানুরূপ পর্যায়ে পৌঁছায়নি, যেখানে ২০২২-২৩ অর্থবছরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল মাত্র ১৮০.৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। মিসর থেকে পেট্রোকেমিক্যাল এবং সার আমদানির জন্য বাংলাদেশের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, মিসরীয় তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগ করেছে এবং ভবিষ্যতে বিভিন্ন খাতে তার দেশের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, মিসরের বাজারে ক্যানসারের ওষুধের বেশ চাহিদা রয়েছে, যার সুযোগ বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা গ্রহণ করতে পারেন।