স্বৈরাচারকে বিদায় করে গণতন্ত্রের একটি অংশের বিজয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘বিএনপির নেতাকর্মীসহ অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন। বিএনপি বছরের পর বছর আন্দোলন করেছে। আমাদের শুধু রাজনৈতিক মুক্তি পেলে হবে না, অর্থনৈতিক মুক্তিও লাগবে। আর এর জন্য সব দ্বার উন্মোচন করা হবে।’ গতকাল বুধবার তারেক রহমান টাঙ্গাইলের গোপালপুর সূতী ভিএম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, টাঙ্গাইলের শাড়িশিল্পের আরও বিকাশ ঘটাতে হবে। এই এলাকার মানুষ যারা শাড়ি উৎপাদনে জড়িত, তাদের সর্বোচ্চ সহায়তা দিয়ে বিদেশে শাড়ি রপ্তানি করা হবে। টাঙ্গাইলের চমচম বিদেশে রপ্তানি করতে পারব না কেন এমন সরকার গঠন করতে হবে তারা যেন এসব উদ্যোগ নেয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আবারও খাল খনন কর্মসূচি শুরু করব। পাটশিল্পকে জাগিয়ে তোলা হবে। মধুপুরের আনারস, গোপালপুরের টুপি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হবে। এমন সব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে কেবল জনগণের সরকারই।
তারেক রহমান বলেন, জনগণের সরকার হলে কেবল রাজনৈতিক মুক্তিই নয় অর্থনৈতিক মুক্তিও হবে। এখন নিরপেক্ষ নির্বাচন দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করাই মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে উৎপাদন ও উন্নয়নের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবো। সম্ভাবনার দ্বারগুলো উন্মোচিত করব।’
স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা এখনো রয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না। যেকোনোভাবে সেই ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেবে সাধারণ মানুষ।’
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতারা বক্তব্য দেন।