বাধ্যতামূলক অবসরে ৩ সেনা কর্মকর্তা মজিবুর বরখাস্ত

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অকালীন (বাধ্যতামূলক) অবসরে পাঠানো হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাদের অবসরে পাঠানো হয়। অবসরে যাওয়া ওই তিন কর্মকর্তা হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. সাইফুল আলম, লে. জেনারেল আহম্মদ তাবরেজ শামস চৌধুরী এবং মেজর জেনারেল হামিদুল হক। তা ছাড়া আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মজিবুর রহমানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর তিন অফিসারকে আর্মি অ্যাক্ট সেকশন-১৮, আর্মি অ্যাক্ট (রুলস) ১২(১), আর্মি রেগুলেশন্স (রুলস) মজিবুর বরখাস্ত ৭৮(সি), ২৫৩ (সি) (রর), ২৬১, সংশোধিত আর্মি রেগুলেশন্স (রুলস) ২৬২(৪) ও ২৬৯(এ), আর্মি রেগুলেশন্স (ইনস্ট্রাকশন্স) ১৬৮ (বি) এবং কমপেনডিয়াম অব মিলিটারি পেনশন-১৯৮১-এর বিধি-৯(কে) অনুসারে প্রশাসনিক ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চাকরি থেকে ‘অকালীন (বাধ্যতামূলক) অবসর’ প্রদান করা হলো। এই আদেশ জারির তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে ওই অফিসারদের অবসর কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাইফুল আলমের ব্যাংক হিসাব জব্দ করে। একই সঙ্গে তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামে থাকা অ্যাকাউন্ট এবং তাদের মালিকানাধীন ব্যবসার ব্যাংক অ্যাকাউন্টও স্থগিত করা হয়।

এদিকে, বরখাস্ত হওয়া লেফটেন্যান্ট জেনারেল মজিবুর রহমান এর আগে সেনা সদর দপ্তরে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) অতিরিক্ত মহাপরিচালক ছিলেন। হোলি আর্টিসান সন্ত্রাসী হামলার সময় ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’ পরিচালনা করে আলোচনায় আসেন তিনি। তিনি স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মহাপরিচালকও ছিলেন।