খুলনায় ঘর থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় সৈয়দা গুলফার নাহার সেতারা (৬৫) নামে এক বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার সকালে রূপসা উপজেলার নৈহাটি গ্রামের হালদার বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি নৈহাটি গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, গুলফার নাহার সেতারা নৈহাটি গ্রামের বাড়িতে একা থাকতেন। তার একমাত্র ছেলে রায়হান এনবিআরের ইন্সúেক্টর পদে চাকরির সুবাদে ঢাকায় বসবাস করেন। শুক্রবার সকালে তার বাড়ির কাজের মেয়ে শাহিনুর বেগম এসে ডাকাডাকি করতে থাকেন। তবে বাড়ির গেটের দরজা খোলা ও ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় তার সন্দেহ হয়। পরে তিনি আশপাশের লোকজন ডেকে এনে ঘরে প্রবেশ করে দেখতে পান, গুলফার নাহারের লাশ ঘরের মেঝেতে পড়ে রয়েছে।
রূপসা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক জানান, খবর পেয়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ওই বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এদিকে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ধানক্ষেত ও কালিহাতীতে রেললাইনের পাশ থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে ঘাটাইলের কাইতকাই এলাকায় ধানক্ষেত থেকে কিশোর শামীম (১৪) ও কালিহাতীর হাতিয়া এলাকায় অজ্ঞাত বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করা হয়। শামীম উপজেলার ভানিকাত্রা গ্রামের ভ্যানচালক করিমের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কাইতকাই এলাকায় ধানক্ষেতের পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। শামীম ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট সংলগ্ন ঝড়কা বাজারের একটি মুরগির দোকানে কাজ করত।
ঘাটাইল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর লাশ ফেলে রাখা হয়। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।