ভারতের বিপক্ষে যে কয়টা জয় বাংলাদেশের, তার ভেতর ২০১৫ সালে দেশের মাটিতে ২-১ ব্যবধানে জেতা ওয়ানডে সিরিজটার তাৎপর্য অন্যরকম। কারণ এই সিরিজেই উত্থান মোস্তাফিজুর রহমানের। ২ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে সাতক্ষীরার অচেনা এক যুবক রাতারাতি বনে যান মহাতারকা।ওয়ানডে অভিষেকে ভারতের বিপক্ষে ২৮ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদও। তাই তো বাংলাদেশের অচেনা কোন পেসারকে নিয়ে বাড়তি আগ্রহ কাজ করে ভারতের দল থেকে শুরু করে গণমাধ্যমেও। পাকিস্তান সফরে আগুনে বোলিং করা নাহিদ রানাকে নিয়েও ভারতীয় দলে চলেছে বাড়তি প্রস্তুতি, গণমাধ্যমেও তাকে ঘিরে আছে কৌতুহল।
নাহিদ রানার গতির পাশাপাশি উচ্চতাও ভারতের ব্যাটসম্যানদের ভাবাচ্ছে। দীর্ঘদেহী এই বোলারের হাই রিলিজ পয়েন্ট এর সঙ্গে চোখকে খাপখাইয়ে নিতে ভারতীয় দল চেন্নাইর অনুশীলনে নিয়ে এসেছে দীর্ঘদেহী পেসার গুরনুর ব্রারকে। ৬ ফুট সাড়ে ৪ ইঞ্চি লম্বা গুরনুরকে খেলেই নাহিদের বল খেলার অভ্যস্ততা রপ্ত করছেন রোহিত-বিরাটরা। সংবাদ সম্মেলনেও ভারতীয় সাংবাদিকরা শান্ত’র কাছে জানতে চেয়েছেন নাহিদ রানা সম্পর্কে। জবাবে শান্ত জানিয়েছেন, ‘নাহিদ খুবই রোমাঞ্চকর বোলার। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রশংসনীয় বোলিং করেছে।
বাংলাদেশ দল অনুশীলন করতে এলে ফটোগ্রাফারদের ক্যামেরার লেন্সও খুঁজে ফিরেছে তাকে। দীর্ঘদেহী ছিপছিপে গড়নের নাহিদকে অন্য সবার মাঝেও আলাদা করেই চোখে পড়ে। পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে তার বোলিংয়ের নাহিদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটাররা। এবারে তার ভারতীয়দের সমীহ আদায় করার পালা।