দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় রোপা-আমন ধানের জমিতে ইঁদুর ও পোকার আক্রমণে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক। কীটনাশক প্রয়োগেও পোকা দমন না হওয়ায় কাক্সিক্ষত ফলন নিয়ে শঙ্কায় আছেন তারা।
কৃষকরা বলছেন, অতিরিক্ত গরমে কীটনাশকের কার্যকারিতা হারাচ্ছে। এতে বেড়ে যাচ্ছে উৎপাদন খরচ। অন্যদিকে, ইঁদুর ধানের গোড়া থেকে শীষ কেটে দেওয়ায় সাদা শীষ হয়ে বের হচ্ছে। কৃষি বিভাগ বলছে, ইঁদুর দমনে গুইসাপ ও বেজি কাজ করে থাকে। যাতে কৃষকরা তাদের না মারে সে জন্য কৃষি উপসহকারীরা মাঠে কাজ করছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর এবার উপজেলায় ২৮ হাজার ৮৮২ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে।
উপজেলার পলাশবাড়ী, রামপুর, মোস্তফাপুর, চ-িপুর, হাবড়া, হামিদপুর, মন্মথপুর এলাকার ফসলি মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, সদ্য রোপা আমন গাছে থোড় এসেছে। কিছু আগাম জাতের ধান থেকে শীষ বের হয়েছে।
জোড়তাল গ্রামের কৃষক শফিকুল ইসলাম বলেন, এবার ইঁদুর ও পোকার আক্রমণে দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে। পার্বতীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিব হোসাইন বলেন, অতিরিক্ত গরমে ধানগাছে পোকার আবির্ভাব ঘটে। পোকা দমনে কৃষকদের কৃষি উপসহকারীরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। তবে আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এবার রোপা আমনের বাম্পার ফলন হবে।