সাবেক হুইপ সামশুল হক চৌধুরীসহ ১০ জন সংসদ সদস্যের (এমপি) বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগসহ আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেন সংস্থাটির উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম।
যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয় তারা হলেন চট্টগ্রাম-১২ আসনের সাবেক এমপি ও সাবেক হুইপ সামশুল হক চৌধুরী, নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক এমপি একরামুল করিম চৌধুরী, ফেনী-১ আসনের সাবেক এমপি আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম, নেত্রকোনা-৪ আসনের সাবেক এমপি ইফতেখার উদ্দিন তালুকদার, কুমিল্লা-৬ আসনের সাবেক এমপি এম এ জাহের, ময়মনসিংহ-১০ আসনের সাবেক এমপি ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, নীলফামারীর-১-এর সাবেক এমপি আফতাব উদ্দিন সরকার, রাজশাহী-১ আসনের সাবেক এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী, সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক এমপি হোসনে আরা এবং রাঙ্গামাটি আসনের সাবেক এমপি দীপংকর তালুকদার।
অন্য যাদের অনুসন্ধান শুরু হয় তারা হলেনÑ নোয়াখালীর কবিরহাট পৌরসভার সাবেক পৌর মেয়র জহিরুল হক রায়হান, কবিরহাটের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুন নাহার শিউলি, ৩ নম্বর ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিন বিএসসি, নোয়াখালী উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল, ২ নম্বর সুন্দলগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন রুমি। এ ছাড়া রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি মো. মুছা মাতব্বর, সহসভাপতি বৃষকেতু চাকমা, অংসিপ্রু চৌধুরী এবং সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক রেমলিয়ানা পাংখোয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।