উনিশের সুখস্মৃতি এবার দিল্লিতে ফিরবে বাংলাদেশের?

পাঁচ বছর পর আবার সেই অরুন জেটলিতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা। ২০১৯ সালে তিনি ছিলেন অধিনায়ক। সেদিন মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতকে হারিয়ে জিতিয়েছিলেন বাংলাদেশকে। এবার যখন আবার একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ, তখন রিয়াদের ক্যারিয়ারের শেষ বেলা। এই ম্যাচের পর আর একটি ম্যাচ পরই সংক্ষিপ্ত সংস্করণকে চিরতরে বিদায় জানাবেন তিনি।

বিদায় বেলায় তাই তিনি রাঙাতে চাইবেন। আরও একবার অরুন জেটলিতে ওড়াতে চাইবেন বিজয় কেতন। কিন্তু দিল্লির সেই মাঠ আর আগের মতো নেই। এক সময় নাম ছিল ফিরোজ শাহ কোটলা, তখন উইকেট ছিল মন্থর গতির। স্পিন সহায়ক থাকায় সেবার বাংলাদেশ জয় পেয়েছিল। তবে এখন নাম পাল্টেছে। বদলেছে উইকেটের ধরণও।

এই উইকেট এখন ব্যাটসম্যান সহায়ক। ফলে টি-টোয়েন্টিতে রান বন্যা হয়ে যায়। এই পিচ সাধারণত নরম ও সমতল হয়, যা ব্যাটসম্যানদের জন্য ব্যাট চালাতে সুবিধা করে। এই ধরনের পিচে বল সহজেই ব্যাটে আসে, ফলে দ্রুত রান তোলার সুযোগ থাকে। এখানে অধিকাংশ সময় আবহাওয়া ও আকাশের অবস্থা ব্যাটিংয়ের জন্য সহায়ক থাকে, যা ব্যাটসম্যানদের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি করে। যদি মাঠের আকার ছোট হয়, তাহলে বাউন্ডারি মারার সুযোগ বেশি থাকে, যা রান বন্যা হওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।

টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লের সময় কেবল দুই ফিল্ডার বাইরে থাকার কারণে ব্যাটসম্যানরা সহজেই চার এবং ছক্কা মারতে পারেন। টি-টোয়েন্টিতে ইনিংস সংক্ষিপ্ত হওয়ায় ব্যাটসম্যানদের দ্রুত রান তুলতে চাপ থাকে, ফলে তারা ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলার চেষ্টা করে। এই মাঠে টি-টোয়েন্টিতে সাধারণত রান বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, কারণ উইকেটটি ব্যাটসম্যানদের জন্য সহায়ক এবং দ্রুত রানের সুযোগ সৃষ্টি করে।

যদি পিচে বল করার জন্য সহায়ক অবস্থা থাকে বা আবহাওয়া এমন হয় যে ডিউয়ের প্রভাব পড়তে পারে, তবে প্রথমে ফিল্ডিং করা তার পছন্দ হতে পারে। বোলিং লাইনআপ শক্তিশালী হয় এবং তারা প্রথমে বল করে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে পারে, তাহলে তিনি ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

অবশ্যই, অরুন জেটলির সিদ্ধান্ত পুরোপুরি পিচের অবস্থান, দলের ফর্ম, এবং ম্যাচের প্রেক্ষাপটের উপর নির্ভর করবে। টস জিতলে তার সিদ্ধান্ত কেমন হবে, তা নির্ভর করে মাঠের অবস্থা, তার দলের শক্তি এবং প্রতিপক্ষের দুর্বলতার উপর। দুই দলের ব্যাটসম্যানরা ফর্মে থাকেন, তাহলে ১৬০-২১০ রান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি পিচ ধীর হয় অথবা বোলাররা ভালো বোলিং করেন, তাহলে ১৩০-১৫০ রান হতে পারে। সঠিক সংখ্যা বলা কঠিন, তবে আজকের ম্যাচে রান সংখ্যা ১৩০ থেকে ২১০-এর মধ্যে হতে পারে, পরিস্থিতি অনুযায়ী।