বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে ২৯৭ রানের পাহাড় গড়েছিল ভারত। তারা ম্যাচটি জিতেছে ১৩৩ রানে। এত বড় স্কোর গড়েও বাংলাদেশকে ১৭০ রানের মধ্যে থামানোর টার্গেট দিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। বোলাররা সফলভাবে সেটা করতেও পেরেছে।
ভারতের ২৯৭ রানের জবাবে বাংলাদেশ তুলতে পেরেছে ৭ উইকেটে ১৬৪ রান। ইনিংস বিরতিতে সূর্যকুমার তার বোলারদের চ্যালেঞ্জ দেন যে, বাংলাদেশকে ১৭০ রাসের মধ্য আটকাতে হবে। স্কোরবোর্ডের দিকে তাকিয়ে দলের বোলারেরা যাতে আত্মতুষ্টিতর না ভোগে, সেটা নিশ্চিত করতে শনিবার তাদের লক্ষ্য স্থির করে দেন সূর্যকুমার। যথেষ্ট রান হাতে থাকলেও রবি বিষ্ণোই, মায়াঙ্ক যাদব, বরুণ চক্রবর্তীদের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হায়দরাবাদের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটেও সেই চ্যালেঞ্জে বিজয়ী ভারতের বোলাররা।
বিষয়টি নিয়ে তরুণ লেগ স্পিনার রবি বিষ্ণোই বলেছেন, ‘'আমরা বোলিং করতে নামার আগেই সূর্যকুমার বলেছিল, মাথায় প্রায় ৩০০ রানের কথা না রাখতে। বলেছিল, "১৬০-১৭০ রান হাতে আছে মনে করে বল করতে হবে। কম রানের মধ্যে প্রতিপক্ষকে আটকে রাখার অভ্যাস তৈরি করতে হবে।" কখনও এমন পরিস্থিতি হলে যাতে আমরা সমস্যায় না পড়ি, সেজন্যই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বলতে পারেন, আমরা প্রস্তুতি হিসাবে দেখতে চেয়েছিলাম। পিচ ব্যাটিং সহায়ক ছিল। তবু আমরা চেষ্টা করতে চেয়েছিলাম।'
দলের আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে বিষ্ণোই বলেছেন, ‘‘দলের প্রায় সবাই নতুন প্রজন্মের। পার্থক্যটা সবাই দেখতে পাচ্ছেন। জেতার জন্য ওদের ২৯৮ রান করতে হতো। তবু আমরা বল হাতে আগ্রাসী থাকতে চেয়েছিলাম। ১৬০ রানের মধ্যে অল-আউট করাই ছিল লক্ষ্য। শীর্ষে থাকাই সব নয়। জায়গাটা ধরে রাখাই আসল।'