স্বামীর মরদেহ দেখতে গিয়ে মারধরে আহত স্ত্রী-স্বজন

বড়াইগ্রামে স্বামীর লাশ দেখতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন স্ত্রীসহ তার স্বজনরা। গত সোমবার সন্ধ্যায় বাগডোব গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

আহতরা জানান, তিন মাস আগে বাগডোব গ্রামের জয়ন্ত কুমারের সঙ্গে নাটোর শহরতলীর হাজরা নাটোর এলাকার শতাব্দী রানীর বিয়ে হয়। গত শনিবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে জয়ন্ত শ্বশুরবাড়ি  বেড়াতে যান। রাতে জয়ন্ত বাড়ির বাইরে কোথাও গিয়ে মদপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এর কিছুক্ষণ পর তিনি নিজ বাড়িতে চলে যান।

রবিবার সকালে পুনরায় অসুস্থ বোধ করলে তাকে প্রথমে বড়াইগ্রাম হাসপাতালে এবং পরে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে জয়ন্তর জ্যাঠাতো ভাই মিলন তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তিনি মারা যান। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. আল মাসুদ মো. মিজানুর রহমান বিষাক্ত মদপানে জয়ন্তের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকেলে জয়ন্তের মরদেহ বাড়িতে নেওয়া হয়। সন্ধ্যায় জয়ন্তের স্ত্রী, শ্বশুর-শাশুড়িসহ ১০-১২ জন স্বজন মরদেহ দেখতে যান। এ সময় মরদেহ দেখতে না দিয়ে মিলনসহ অন্যরা লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের পিটিয়ে আহত করেন। আহতদের মধ্যে সাতজন নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। শতাব্দী রানীর অভিযোগ, জয়ন্তর মৃত্যু এবং মারপিটের বিষয়ে তিনি মামলা করবেন।

এ ব্যাপারে মিলনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পাবলিক উত্তেজিত হয়ে সবাইকে মারপিট করেছে।’