দ্বিতীয় ইনিংসেও নড়বড়ে বাংলাদেশ, দিনশেষে পিছিয়ে শতাধিক রানে

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলাদেশের পারফর্মেন্সের উন্নতি বলতে উনিশ-বিশ। আগের মতোই ধসে পড়েছে টপ অর্ডার। তবে শেষ বেলার বিপদ সামাল দিয়েছেন মুশফিক আর মাহমুদুল। দ্বিতীয় দিন শেষে টাইগাররা তুলেছে ৩ ১০১ রান। তারা এখনো ১০১ রানে পিছিয়ে আছে।

২০২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে বাংলাদেশ। শুরুতেই কাগিসো রাবাদার জোড়া আঘাতে ফিরে যান সাদমান ইসলাম (১) এবং মুমিনুল হক (০)। দলীয় ৪ রানে ২ উইকেট পতনের পর লড়াইয়ের চেষ্টা করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আর মাহমুদুল হাসান জয়। ইনিংসের ১৯তম ওভারে ৫৫ রানের এই জুটি ভাঙেন কেশব মহারাজ। ২৩ রান করে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান শান্ত। এরপর মাহমুদুলের সঙ্গী হন মুশফিক। তাদের অবিচ্ছিন্ন ৪২ রানের জুটিতে দিন শেষ করে বাংলাদেশ। আলোকস্বল্পতার জন্য খেলা আগেই বন্ধ হয়ে যায়। মাহমুদুল ৩৮ আর মুশফিক ৩১ রানে অপরাজিত আছেন। ২ উইকেট নিয়েছেন রাবাদা, একটি মহারাজ।

এর আগে আজ মঙ্গলবার মিরপুর শেরেবাংলায় প্রোটিয়াদের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩০৮ রানে। গতকালের অবিচ্ছিন্ন সপ্তম উইকেট জুটিতে ১১৯ রান তোলেন কাইল ভেরেইনা এবং ওয়েন মুল্ডার। বাংলাদেশের বিপক্ষে সপ্তম উইকেট জুটিতে এটিই দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ। একমাত্র পেসার হাসান মাহমুদ এই জুটির অবসান ঘটান। ৬৫তম ওভারের শেষ দুই বলে ফিরিয়ে দেন ১১২ বলে ৫৪ রান করা মুল্ডার আর নতুন ব্যাটার কেশব মহারাজকে (০)। ৮ উইকেটে ২৪৩ রান নিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় প্রোটিয়ারা।

বিরতির পর ১৩৪ বলে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন ভেরেইনা। চাপের মুখের তিন অংক ছুঁতে হাঁকিয়েছেন মাত্র ৮টি বাউন্ডারি। মেহেদি মিরাজের বলে আউট হওয়ার আগে তার ব্যা থেকে এসেছে ১৪৪ বলে ৮ চার ২ ছক্কায় ১১৪ রান। দশ নাম্বারে নামা ডেনে পিডেটও ৩২ রান করেছেন। ৯ম উইকেটে এসেছে ৬৬ রানের জুটি। ৮৮.৪ ওভারে ৩০৮ রানে অল-আউট হয় প্রোটিয়ারা। তাইজুলের পাঁচ উইকেটের পাশাপাশি হাসান মাহমুদ নেন ৩টি, মিরাজ নিয়েছেন ২টি।