হাফ ভাড়া দিতে চাওয়ায় ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থীকে ধাক্কা দিয়ে বাস থেকে ফেলে দেওয়ায় তার পা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। এরই প্রতিবাদে ‘ভিআইপি’ পরিবহনের ৩০টি বাস আটকে রেখেছিল শিক্ষার্থীরা। গতকাল সকাল ১০টার দিকে বাসগুলো আটক করে কলেজের মূল ফটকের সামনে সারিবদ্ধভাবে রাখে তারা। তারপর শিক্ষার্থী ও বাসমালিকদের সমঝোতায় দুপুরের দিকে বাসগুলো ছেড়ে দেয় শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, বাসের ধাক্কায় আহত হন শিক্ষার্থী সাবিত। তিনি ঢাকা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী। বাস থেকে পড়ে তার দুই পা কেটে রক্তক্ষরণ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি আজিমপুর থেকে কলেজে আসার উদ্দেশ্যে ভিআইপি বাসে উঠি। বাস থেকে নামার সময় হাফ ভাড়া দিলে ভাড়া না নিয়ে আমার সাথে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে বাস থেকে নামার সময় আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় এবং পা ও হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হই। বর্তমানে আমি ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছি।’
ইলিয়াস আহমেদ নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, সাবিত আজিমপুর থেকে ঢাকা কলেজের উদ্দেশে ‘ভিআইপি’ বাসে ওঠে। এরপর ঢাকা কলেজের সামনে এসে ভাড়া দিতে গেলে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তাকে ধাক্কা দেয় ওই গাড়ির হেলপার। বিষয়টি আমরা জানলে ‘ভিআইপি’ বাস আটক করি।
বাসচালক লিটন বলেন, ‘কোন বাসের সঙ্গে ঘটনা ঘটেছে সেটা আমি জানি না। তবে শুনেছি কলেজের এক ছাত্রকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে হেলপার। যে কারণে আমাদের বাসগুলো আটক করেছে।’