পলিথিনের বিধ্বংসী প্রলয়

পলিথিন পারমাণবিক বোমার চেয়েও ভয়াবহ। এটি মাটি, পানি ও বাতাস বিধ্বংসের মারণাাস্ত্র। শুধু মানুষের জন্য নয়, গাছপালা, লতা-গুল্ম, জীব-জন্তুর জন্য হুমকি পলিথিন ব্যবহার। পরিবেশ না বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে না। বাঁচবে না পরবর্তী প্রজন্মের স্বপ্ন, সাধ ও সাধনা। ২০০২ সালে পলিথিন নিষিদ্ধের কঠোর আইন প্রণয়ন করা হলেও গত ২২ বছরে এর সফল প্রয়োগের কোনো লক্ষণই বাংলাদেশে দৃশ্যমান নয়। বরং দিন দিন পরিবেশ বিধ্বংসী পণ্যটির ব্যবহার বাড়ছে এবং পরিবেশকে বিপন্ন করে তুলছে। বিশ্বে প্রতি মিনিটে ১০ লাখের বেশি এবং বছরে ৫ লাখ কোটি পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে। মাত্র ১ শতাংশ পুনর্ব্যবহারের জন্য প্রক্রিয়াজাত করা হয়। সমুদ্রে ফেলা হয় ১০ শতাংশ। এসব পলিব্যাগ ১০০ বছরেও পচনশীল নয় এবং মাটির সঙ্গেও মিশে না। 

আজ থেকে ৪-৫ বছর আগে ময়মনসিংহ বিভাগকে পলিথিনমুক্ত বিভাগ এবং জেলাকে পলিথিনমুক্ত জেলা ঘোষণা করেও পলিথিনের বিপণন ও ব্যবহার বন্ধ করা যায়নি, পলিথিনের বিকল্প ব্যাগের অভাব এবং ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের অসহযোগিতার কারণে। সুপারশপের পর এবার কাঁচাবাজারগুলোতে পলিথিনের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার নিষিদ্ধের কথা জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হক। ঘোষণা অনুযায়ী ১ অক্টোবর রাজধানীর সুপারশপগুলোতে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার নিষিদ্ধ হয়েছে। উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হকের এই পদক্ষেপকে অভিনন্দন জানাই। গত ২৪ সেপ্টেম্বর, মোহাম্মদপুরের টাউন হল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কাঁচাবাজার বণিক সমিতি অফিসে ‘পলিথিন শপিংব্যাগ বন্ধে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ বিষয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরির্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পলিথিন ব্যাগ বন্ধের ব্যাপারে সরকারের গৃহীত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানান। বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে টাউন হল কাঁচাবাজারে ক্লিন-আপ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা। কারণ পলিথিন বা পলিইথিলিন উৎপন্ন হয় ইথিলিন থেকে। যদিও ইথিলিন নবায়নযোগ্য সম্পদ থেকে উৎপন্ন হতে পারে, কিন্তু পলিথিন প্রধানত পেট্রোলিয়াম থেকে উৎপন্ন হয়। পলিইথিলিনের ব্যাপক ব্যবহার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ভয়ংকর অসুবিধার সৃষ্টি করে যদি এটিকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে না  তোলা হয়। কারণ পলিইথিলিন অন্যান্য কৃত্রিম প্লাস্টিকের মতো সহজে পরিবেশে মিশতে পারে না। এর ব্যাপক ব্যবহার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য অসুবিধার সৃষ্টি করে যদি পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে না তোলা হয়। তার বক্তব্য থেকে জানা যায়, কাঁচাবাজারগুলো যাতে আর পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার না করে সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৫ (সংশোধন-২০০২) অনুযায়ী, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভেবে সরকার পলিথিন ব্যাগ বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এই আইনে পলিথিন উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের সর্বনিম্ন শাস্তি ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পলিথিন ব্যবহারকারীকে তাৎক্ষণিকভাবে ৫০০ টাকা জরিমানা করার বিধান রয়েছে।

শুধু সুপারশপ নয়, সারা দেশের কাঁচাবাজার, মাছ-মাংসের বাজার, মুদি দোকান সব জায়গার পলিথিনের অবাধ ব্যবহার। স্বল্পমূল্য ও সহজলভ্যতার কারণে মানুষ না জেনে, না বুঝে পলিথিন ব্যবহার করে পরিবেশের ক্ষতি করছে। ডেকে আনছে নিজের সর্বনাশ। এক কেজি আলু, আধা কেজি পটোল, এমনকি আড়াইশ গ্রাম কাঁচা মরিচ কিনলেও হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় পলিথিনের ব্যাগ। মাছ মাংস ডিম কিনলে তো কথাই নেই, পারলে ডবল পলিথিনে মুড়ে দেওয়া হয় পণ্যগুলো। ভাবতে অবাক লাগে এখন ভোজ্যতেল, ঘি ও মধুর মতো তরল পদার্থ কিনলেও তা পলিথিন ব্যাগের মাধ্যমেই সরবরাহ করা হয়! অথচ আগে এসব তরল খাদ্যপণ্য বিক্রি করা হতো কাচের বোতলে। আর পাটের ব্যাগ তো কবেই উঠে গেছে? কৃষি, স্বাস্থ্য, মৎস্য, নৌপরিবহন এমনকি সমুদ্র অর্থনীতির জন্যও পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার মারাত্মক ক্ষতির কারণ দাঁড়িয়েছে।

কৃষিক্ষেত্রে পলিথিন সূর্যের আলো ফসলের গোড়ায় পোঁছাতে দেয় না। ফলে মাটির ক্ষতিকারক অণুজীব মারা না যওয়ার কারণে জমির উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়। পলিথিনের বিষাক্ত প্রভাবে পুকুর, খাল, বিল, নদী-নালা ও সাগরের মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে। পলিথিন থেকে নির্গত হয় বায়োফিনাইল ও ডায়োঅক্সিন। এগুলো মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এর প্রভাবে ক্যানসারসহ বিভিন্ন মারাত্মক রোগ হতে পারে। এ ছাড়া পলিথিন ব্যাগ বা অন্যান্য সামগ্রী থেকে মানুষের রক্ত, মস্তিষ্ক ও লিভারে সূক্ষ্ম মাইক্রো প্লাস্টিকের অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে। পলিথিন মানবদেহে হরমোন উৎপাদনে বাধাগ্রস্ত করছে। বন্ধ্যত্বসহ গর্ভবতী মায়ের ভ্রুণ নষ্ট এবং কিডনি বিকল করে দিতে পারে এই পলিথিন। রঙিন পলিথিন জনস্বাস্থ্যের জন্য আরও বেশি ক্ষতিকর। এ থেকে নির্গত ক্যাডমিয়াম শিশুদের হাড়ের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত করে এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়।

বাংলাদেশে প্রতিদিন যে পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয়, অনেক দেশে এক মাসেও সে পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয় না। বাংলাদেশে প্রতিদিন চার থেকে সাড়ে চার হাজার টন বর্জ্য তৈরি হয়। এর ১৭ শতাংশই প্লাস্টিক জাতীয়। এসব বর্জ্যরে অর্ধেকই সরাসরি পানিতে বা নিচু জমিতে ফেলা হয়। জানা যায়, ঢাকা শহরেই প্রতিদিন ১২৪ টন প্লাস্টিক জাতীয় বর্জ্য তৈরি হয়, যার ৮৬ শতাংশ আবার ব্যবহার করা হয়। বাকি যে অংশটি ব্যবহার করা হয় না, তার বেশিরভাগই পলিথিন। এগুলো সরাসরি মাটি ও পানিতে গিয়ে জমা হচ্ছে। একই সঙ্গে তা খাদ্যচক্রে প্রবেশ করে মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর শরীরে প্রবেশ করছে। ফলে ক্যানসারসহ নানা রোগ তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখছে এই পলিথিন। বাংলাদেশে প্লাস্টিকের অতি সূক্ষ্ম কণা মাছসহ অন্যান্য প্রাণীর দেহে প্রবেশ করছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বাজারে যেসব রুই, লাইট্টা, চিংড়ি ও সার্ডিন মাছ বিক্রি হয়, তার অর্ধেকের বেশির দেহে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা পাওয়া যাচ্ছে। এভাবে যদি চলতে থাকে, প্লাস্টিক দূষণ যদি নিয়ন্ত্রণ না হয়, তাহলে তা দেশের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করবে।

বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে জানা যায়, বেশ কয়েক ফুট পলিথিনের স্তূপের কারণে বুড়িগঙ্গার তলদেশের পানি একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে। নষ্ট হয়ে গেছে তলদেশের কয়েক ফুট মাটিও। বুড়িগঙ্গার পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে পলিথিনের কারণে। এজন্য এখানে মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী অস্বাভাবিক হারে কমে গেছে। এ ছাড়া শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদীর তলদেশেও কয়েক ফুট পলিথিনের স্তর জমেছে। এক গবেষণা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, রাজধানী ঢাকার একটি পরিবার প্রতিদিন গড়ে ৪টি পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করে। সে হিসাবে শুধু রাজধানী ঢাকায় মানুষ প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করেন এবং যত্রতত্র এগুলো ফেলে পরিবেশের সর্বনাশ করেন। ঢাকা মহানগরের পয়োনিষ্কাশনের প্রায় ৮০ ভাগ ড্রেনে পলিথিন জমাট বেঁধে আছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই দেখা দেয় অসহনীয় জলাবদ্ধাতা। বৃষ্টির সময় অনেক ম্যানহোল থেকে পলিথিনের স্তূপ বের হয়ে আসে। এ ছাড়া পলিথিন খাল-বিল, নদী-নালায় জমা হয়ে তলদেশ ভরাট করে ফেলে। নাব্য নষ্ট হওয়াতে বিঘিœত হয় নৌপরিবহন। ঢাকার সুপারশপগুলোতে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার বন্ধ করা সরকারের একক সিদ্ধান্ত নয়। এটি সুপারশপগুলোর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর বিকল্প হিসেবে পাট, কাপড় ও কাগজের ব্যাগ ব্যবহার করা হবে। এ জন্য বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনসহ ২০ থেকে ২৫টি প্রতিষ্ঠান পাট, কাপড় ও কাগজের ব্যাগ সুপারশপগুলোতে সরবরাহ করবে। ইতিমধ্যে সুপারশপগুলো তাদের চাহিদা দিয়েছে এবং তাদের চাহিদা অনুযায়ী ব্যাগের জোগানের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক আইন-২০১০ বাস্তবায়ন এবং পলিথিনের পরিবর্তে পাটের ব্যাগ ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে সম্প্রতি (২৭.১০.২৪) সচিবালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছিলেন, গত ১ নভেম্বর থেকে পলিথিন শপিংব্যাগের ব্যবহার বন্ধে কঠোর মনিটরিং চালু করার কথা। কোনো সুপারশপ পলিথিন শপিংব্যাগ সরবরাহ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পলিথিন উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা করা হবে। তিনি আরও বলেছিলেন, মানুষ যদি পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করে, তাহলে উৎপাদনও বন্ধ হবে। এ জন্য জনগণকে সচেতন করতে হবে। কেউ ইচ্ছা করে গাফিলতি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পলিথিন ব্যাগের ক্ষতিকর প্রভাব বুঝে মানুষ যেন এটি থেকে সরে আসে সে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। অপরদিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে অভিযানকালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ^াস জানিয়েছিলেন, আজ ৩ নভেম্বর থেকে শপিংব্যাগ উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে সব জেলা প্রশাসক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সারা দেশে এখনো ১২০০-এর বেশি পলিথিন কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে খোদ রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশে রয়েছে প্রায় ৫শ পলিথিন উৎপাদন কারখানা। পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পলিথিনের উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধে মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জরিমানা করে ও কারাদণ্ড দেয়। তারপরও বন্ধ হচ্ছে না পলিথিনের ব্যবহার ও বিপণন। পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করতে হলে এক. পলিথিনে বিকল্প সোনালি ব্যাগের উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং সোনালি ব্যাগ সহজলভ্য হতে হবে। দুই. পলিথিন উৎপাদন কারখানাগুলো বন্ধের ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়ন করে পলিথিন উৎপাদনের সব কারখানা বন্ধ করে দিতে হবে। তিন. কাঁচাবাজার, মুদি দোকানদারদের পলিথিন ব্যবহার বন্ধের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। চার. তরল খাদ্যপণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে পলিথিনের পরিবর্তে কাঁচের বোতল ব্যবহার করতে হবে। পাঁচ. মাছ ধরার ক্ষেত্রে প্লাস্টিকের পরিবর্তে তুলা থেকে তৈরি সুতার জাল ব্যবহার করতে হবে। ছয়. পলিথিন ও প্লাস্টিকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার, লিফলেট ও পোস্টার বিতরণের ব্যবস্থা করতে হবে। সাত. কৃষি তথ্য সংস্থার মতো গ্রামের হাট-বাজারে পলিথিনের ভয়াবহতা সম্পর্কে চলচ্চিত্র প্রদর্শন করতে হবে। আট. পলিথিন উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার বন্ধের আন্দোলনকে একটি জাতীয় আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। আট. সব শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে পলিথিন ও প্লাস্টিকের ভয়াবহতা সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নয়. পলিথিন উৎপাদন ও বিপণনবিরোধী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচালিত অভিযান আরও জোরদার ও গতিশীল করতে হবে। পলিথিনের বিধ্বংসী প্রলয় যত তাড়াতাড়ি বন্ধ হবে, ততই মঙ্গল।

লেখক: সাবেক মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন

netairoy18@gmail.com