এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মাধ্যমে দুই মাসের (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) আমদানি বিল নিষ্পত্তি হচ্ছে চলতি সপ্তাহে। আকুভুক্ত ৯টি দেশের আমদানি বিল বাবদ মোট ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ হবে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার মজুদ বা রিজার্ভ কমে ২৩ বিলিয়ন ডলারে নামতে পারে। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
গত রবিবার পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের নির্দেশিত (বিপিএম-৬) মানদ- অনুযায়ী বর্তমানে রিজার্ভ রয়েছে ১৯ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। আকুর বিল পরিশোধের পর বিপিএম-৬ হিসেবে রিজার্ভ নামবে ১৮ বিলিয়নের ঘরে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত রবিবার (৩ নভেম্বর) পর্যন্ত দেশের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৫ বিলিয়ন ডলারে। সেখান থেকে গত দুই মাসের আকু বিল ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বাদ যাবে। এতে মোট রিজার্ভ নেমে আসবে সাড়ে ২৩ বিলিয়ন ডলারে। অথচ গত জুলাই মাসেও বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২৬ বিলিয়ন ডলার।
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন তথা আকু হলো, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যকার একটি আন্ত-আঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। এর মাধ্যমে এশিয়ার ৯টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রপ্তানি হয়, তা প্রতি দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি হয়। তবে অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আকুর সদস্য দেশগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ। তবে দেনা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় সম্প্রতি এ তালিকা থেকে বাদ পড়েছে শ্রীলঙ্কা।
তবে আশা জাগাচ্ছে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে রেমিট্যান্সের পরিমাণ। অক্টোবর পুরো সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ২৪০ কোটি ডলার। আর প্রতিদিন গড়ে এসেছে ৯২৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়।