বিনয়ী মানুষকে সবাই ভালোবাসে

বিনয় ও নম্রতা মর্যাদা লাভের একটি বিশেষ সোপান। বিনয় মানুষকে উচ্চাসনে সমাসীন ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বে পরিণত করতে সহায়তা করে। সমাজে বিনয়ী মানুষ সব সময় ভালোবাসা, শ্রদ্ধা-সম্মান ও মর্যাদায় অভিসিক্ত হয়। এর বিপরীতে রূঢ়ভাষী লোকদের মানুষ অপছন্দ ও ঘৃণা করে। বিনয়ের মাধ্যমে সহজেই অন্যের সঙ্গে সৌহার্দ্য ও ভালোবাসার বন্ধন তৈরি করা যায়। পবিত্র কোরআনে বিনয়ীদের মহান আল্লাহর বন্ধু বলা হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের বন্ধু তো আল্লাহ, তার রাসুল ও মুমিনরা, যারা বিনয়ী হয়ে নামাজ আদায় করে এবং জাকাত দেয়।’ (সুরা মায়েদা ৫৫)

এ বিনয় তাদের এনে দেয় মর্যাদা ও সফলতা। কেউ যদি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য বিনয়ী হয় তাহলে আল্লাহতায়ালা তার মর্যাদাকে বাড়িয়ে দেন। তাই লেনদেনসহ সব ধরনের আচার-আচরণে বিনয় ও নম্রতা প্রদর্শন করা ইসলামের অন্যতম নির্দেশ ও শিক্ষা। যারা এমনটি করবে তাদের মর্যাদা ও উপকারিতা সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিনয় অবলম্বন করে, মহান আল্লাহ তাকে সুউচ্চ মর্যাদায় আসীন করেন।’ (সহিহ মুসলিম)

কারণ মহান আল্লাহর প্রতিশ্রুতি হলো, বিনয়ীকে তিনি দুনিয়া ও আখেরাতে অনন্য সম্মাননায় ভূষিত করবেন। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি সমাজে অহংকার ও দম্ভ করে বেড়ায় আল্লাহতায়ালা তাকে দুনিয়া ও আখেরাতে অপদস্থ ও অপমানিত করেন। হাদিসে এসেছে, ‘বড়ত্ব (আল্লাহর) তার কাপড়, অহংকার তার চাদর। যে (আল্লাহর) তার চাদর নিয়ে টানাটানি করবে তিনি তাকে কঠিন শাস্তি দেবেন।’ (সহিহ মুসলিম)