কমলগঞ্জে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার পরিবারের দাবি হত্যা

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে শাহিনা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার বিক্রমকলস গ্রামে থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, স্বামী ও শ^শুরবাড়ির লোকজন গলায় ফাঁস লাগিয়ে গৃহবধূকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী সাজিম মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।

অভিযোগ করে শাহিনার বাবা ইব্রাহিম মিয়া বলেন, ‘শনিবার সকালে সাজিম আমাকে মোবাইল ফোনে জানায় মেয়ে হঠাৎ করে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। কিন্তু গিয়ে দেখি আমার মেয়ে মারা গেছে, তার গলায় দাগও রয়েছে। আমার মেয়েকে তার স্বামী অনেক নির্যাতন করত। সে-ই আমার মেয়েকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মেরেছে।’

পুলিশ আটক করার আগে সাজিম বলেন, ‘আগের রাত আমাদের মধ্যে কিছুটা ঝগড়া হয়েছে। সকালে উঠে দেখি ঘরে সে ফাঁস দিয়েছে। পরে আমি ফাঁস খুলে সেখান থেকে নামিয়ে ফেলি।’

ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে দাবি করে কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ ইফতেখার আহমদ গতকাল বলেন, ‘নিহতের পরিবারের দাবিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গৃহবধূর স্বামীকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।’

এদিকে, রংপুর মহানগরীর মুলাটোল ব্যাংক কলোনির নিজবাসা থেকে মোস্তাকিম ইসলাম (৩৭) নামে এক আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আইনজীবী মোস্তাকিম ইসলাম রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ট্যাক্সেরহাট এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্ত্রী রিমু বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন। একই ইউনিটে তার ছোটভাই আলাদাভাবে থাকতেন। চার দিন আগে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান বলে জানা গেছে। তাদের কোনো সন্তান নেই।

নিহতের ছোট ভাই সোহান জানান, গত শুক্রবার রাতে তার বড় ভাইকে ভাত খাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে রুমের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে নিচে পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় বিছানার ওপর সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো ছিল। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

কোতোয়ালি থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।