রাজধানীর জিরো পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ-সেনাবাহিনী

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগের কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তপ্ত রাজধানী। তাই রাজধানীর জিরো পয়েন্টে শহীদ নূর হোসেন চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনীও। 

রোববার সকালে সরেজমিনে জিরো পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঠেকাতে সেখানে বিএনপির কর্মীরাসহ বিভিন্ন দলের কর্মীরা ও সাধারণ জনতা অবস্থান নিয়েছে। এছাড়া নূর হোসেন চত্বরে সকাল থেকে নূর হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে বিভিন্ন দল।

তবে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া সেনাবাহিনীর টহলও রয়েছে।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর এদিনই প্রথমবারের মতো কর্মসূচি দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

গতকাল শনিবার আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টার পোস্ট করা হয়। যাতে লেখা, ‘১০ নভেম্বর আসুন জিরো পয়েন্টে, বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে’। পরে আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজে অপর এক পোস্টে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে লেখা হয়, ‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায়, গণতন্ত্র ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় দলে দলে ঢাকায় আসুন।’ পোস্টে বিকাল ৩টায় কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানানো হয়।

অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন একই স্থানে গণজমায়তের ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী লীগকে প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে।

এর আগে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঠেকাতে শনিবার রাত থেকেই জিরো পয়েন্টের নিয়ন্ত্রণ নেয় ছাত্র-জনতার ব্যানারে একদল মানুষ। রাতভর বিক্ষোভে অংশ নিয়ে ছাত্র-জনতা আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। রাত ১২টার দিকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জিরো পয়েন্টে আসেন ইসলামী আন্দোলনসহ কয়েকটি দলের সদস্যরা।

নূর হোসেন দিবসে পূর্ব ঘোষিত আওয়ামী লীগের কর্মসূচি যেকোনো মূল্যে রুখে দিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন উপস্থিত ছাত্র জনতা।