নিউইয়র্ক-ওয়াশিংটন ডিসিতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

গেলো সপ্তাহে ভোটাভুটির মাধ্যমে প্রতিপক্ষ ডেমোক্র্যাট পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস বেশ ভালো ব্যবধানে হারিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ে হতাশ অনেক মার্কিন নাগরিক।

আর তাই হতাশা প্রদর্শনে গতকাল শনিবার দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করেছেন হাজারো মানুষ। খবর বিবিসি ও দ্যা গার্ডিয়ান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নারীদের গর্ভপাতে অধিকার নিয়ে হুমকি, ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই যুক্তরাষ্ট্র থেকে গণহারে অভিবাসীদের বের করে দেওয়ার ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষাপটে এ বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভে অংশ নিতে নিউইয়র্ক, সিয়াটল ও ওয়াশিংটন ডিসিসহ অন্যান্য শহরের রাস্তায় নেমে আসেন শত শত মানুষ।

বিক্ষোভে বিক্ষোভকারীদের ‘আমরা আমাদের রক্ষা করি’, ‘আমরা পিছিয়ে যাব না’, ‘নিউ ইয়র্কবাসীরা একসাথে দাঁড়াও" এবং "আমরা এই ঘৃণার বিরুদ্ধে লড়াই করব" বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা যায়।

নিউইয়র্কে অংশ নেওয়া বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছিলেন বিভিন্ন পরামর্শক গ্রুপের কর্মীরাও। তাঁরা কর্মীদের অধিকার ও অভিবাসীদের বিষয়ে ন্যায়বিচারের আশ্রয় নেওয়ার দাবি জানান।

এছাড়া ওয়াশিংটন ডিসিতে হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের বাইরে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন সংগঠন ‘উইমেন্স মার্চ’–এর কর্মীরা। এছাড়া নারীদের পদযাত্রার মাধ্যমে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং অনেক নারী বিক্ষোভ যোগ দেন।

এসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত কিছু ছবিতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের হাতে ‘ভালো আচরণের নারীরা ইতিহাস তৈরি করেন না’, ‘আপনারা কখনোই নিঃসঙ্গ নন’, ‘যেখানে আমার পছন্দের অধিকার নেই, সেখানে কোথায় আমার স্বাধীনতা’ ইত্যাদি স্লোগান–সংবলিত প্ল্যাকার্ড। এ ছাড়া বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, আমরা জিতব!’

বিক্ষোভকারীরা সমবেত হন সিয়াটলের স্পেস নিডলের বাইরেও। সেখানে প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘গণ–আন্দোলন গড়ে তুলুন এবং যুদ্ধ, নিপীড়ন ও গণহত্যার বিরুদ্ধে লড়াই করুন’। সিয়াটলে বিক্ষোভকারীদের কারও কারও শরীরে ছিল ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে, এমন পোশাক।

এছাড়া ওরেগনের পোর্টল্যান্ড শহর, পেনসিলভানিয়ার পিটসবার্গেও বিক্ষোভ করেন অনেকে। বিক্ষোভে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান–সংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা যায় অনেককে।