সাংবাদিকদের লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. সেলিম মিঞাকে প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন বিক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা। এ সময় তত্ত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ১১ নভেম্বর দুপুরে জেলা হাসপাতালে ওষুধ কেনায় ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহে যান সময় টেলিভিশনের শেরপুর জেলা প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম ও ক্যামেরাপারসন বাবু চক্রবর্তী। সে সময় তথ্য না দিয়ে উল্টো তাদেরকে লাঞ্ছিত করেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সেলিম মিঞা।
জানা যায়, অভিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক বাবু চক্রবর্তীর কাছ থেকে ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ও প্রতিনিধি শহিদুল ইসলামের শার্টের কলার ধরে হেনস্থা করে। একপর্যায়ে তাদেরকে তত্ত্বাবধায়ক তার কক্ষে প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে অন্য সহকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেন।
বিক্ষোভ কর্মসূচিত শেষে প্রেসক্লাবের নেতারা শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সেলিম মিঞাকে অপসারণের দাবিতে জেলা সিভিল সার্জন বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে আগামী ৩ দিনের মধ্যে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সেলিম মিঞাকে প্রত্যাহার ও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন বিক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সেলিম মিঞা দাবি করেন তথ্য চাইতে এসে সাংবাদিকরা তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও অশোভন আচরণ করেছেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘সে সময় কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। কাউকে লাঞ্ছিত বা হেনস্তা করা হয়নি।’