যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনে অর্থমন্ত্রী হিসেবে ওয়াল স্ট্রিটের স্বনামধন্য বিনিয়োগকারী স্কট ব্যাসেন্টকে মনোনয়ন দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের করনীতি, সরকারি ঋণ, আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ও নিষেধাজ্ঞার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলিতে নেতৃত্ব দেবেন স্কট।
বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এটি তার দ্বিতীয় মেয়াদে শীর্ষ কর্মকর্তাদের নির্বাচনের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।
ঘোষণার সময় ট্রাম্প বলেন, বেসেন্ট তার প্রশাসনের নীতির মাধ্যমে মার্কিন প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করবেন এবং অবৈধ বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা বন্ধ করবেন।
বিনিয়োগকারী স্কট ব্যাসেন্ট একদা হাঙ্গেরিয়ান-মার্কিন ব্যবসায়ী ও ধনকুবের জর্জ সরোসের জন্য কাজ করেছেন। চলতি বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার শুরু থেকেই ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছেন স্কট। তিনি ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির প্রতি বিশ্বাসী এবং আমেরিকা ফার্স্ট এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রচারের সময় ট্রাম্পের প্রশংসা করে স্কট ব্যাসেন্ট ভোটারদের বলেছিলেন, নতুন একটি স্বর্ণযুগের সূচনা করতে যাচ্ছেন ট্রাম্প। তা হবে নিয়ন্ত্রণমুক্ত, কম দামের জ্বালানির এবং নিম্ন করের।
এমন একটি সময়ে স্কট বেসেন্টকে মনোনীত করা হলো যখন মার্কিন অর্থনীতি এবং বাণিজ্যনীতি নিয়ে গভীর আলোচনা চলছে। বেসেন্টের প্রজ্ঞা ও তার অভিজ্ঞতা, বিশেষ করে ক্রিপ্টোকারেন্সি (ডিজিটাল মুদ্রা) এবং সোরোসের অধীনে কাজ করার অভিজ্ঞতা, ট্রাম্পের প্রশাসনকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করতে পারে।
স্কটকে অর্থমন্ত্রী ঘোষণার পাশাপাশি ট্রাম্প আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে মনোনয়ন দেন। যাদের মধ্যে শ্রমমন্ত্রী হিসেবে ডি রেমার এবং স্কট টার্নারকে গৃহায়ন ও শহর উন্নয়ন মন্ত্রীর পদে মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়া ড. জানেট নেশিওয়াটকে সার্জন জেনারেল এবং ড. ডেভ ওয়েলডনকে সিডিসি পরিচালক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।