বাধা উপেক্ষা করে ডি-চকে ইমরান খানের সমর্থকরা, রণক্ষেত্র ইসলামাবাদ 

পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পিটিআই সমর্থকরা রাজধানী ইসলামাবাদের ডি-চকে পৌঁছেছে। এরপরই মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) ইসলামাবাদে পুলিশ ও পিটিআই কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের খবরে বলা হয়েছে, আদালতের আদেশ এবং সরকারের হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও রবিবার থেকে দেশজুড়ে পিটিআইয়ের গাড়িবহর ইসলামাবাদের দিকে রওনা হয়েছিল।

রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে পিটিআই সমর্থকদের সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ছে। গোলার প্রভাব রাজধানীর আবপাড়া চক পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ায় আবপাড়া মার্কেট বন্ধ হয়ে যায়।

জানা গেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাওয়ালপিন্ডি থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের ডাকা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ইসলামাবাদে এক হাজার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলোতে রেঞ্জার্স এবং ডি-চকে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে পিটিআই সমর্থক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। ইসলামাবাদ পুলিশের কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যম দ্য ডনকে বলেছেন, চলমান বিক্ষোভ চলাকালে রাজধানী থেকে পুলিশ ৫০০ জনেরও বেশি পিটিআই নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।

রেডিও পাকিস্তানের ওয়েবসাইট অনুসারে, বিক্ষোভকারীদের দমাতে সরকার নিরাপত্তা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীকে সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দাঙ্গাকারীদের দেখামাত্র গুলি করার মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় মনে করা যেকোনো এলাকায় কারফিউ জারি করার ক্ষমতা পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছে।