সাব্বিরের সেঞ্চুরি সফরের ৫ উইকেট

সিলেট বিভাগীয় দল থেকে একের পর এক পেস বোলার উঠেই আসছেন। এবাদত হোসেন, আবু জায়েদ রাহি, খালেদ আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব, রেজাউর রহমান রাজাদের দেখানো পথে উঠে এসেছেন আরেক পেসার সফর আলি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচেই এই ডানহাতি পেসার নিয়েছেন ৫ উইকেট। একই ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন সাব্বির হোসেন।

শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলা সিলেট শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে রাজশাহীর। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করে রাজশাহী, দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হাবিবুর রহমান সোহান ও সাব্বির হোসেনের শতরানের জুটির পরেও পদ্মাপাড়ের দল অলআউট ২২৬ রানে। প্রথম উইকেটের পতন ১০৯ রানে, এরপরই সফর আর তোফায়েলের বল যেন খেলতেই পারলেন না রাজশাহীর ব্যাটসম্যানরা। দুই ওপেনারের পর বাকিদের প্রায় সবাই এক অংকের রানে আউট, দুজন মাত্র পৌঁছেছিলেন ১০ ও ১১ রানে। ৬৯ রানে ৫ উইকেট সফরের আর ৪০ রানে ৪ উইকেট তোফায়েলের। 

ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ১৯ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৪৯ রান। ১৭ রান করে আউট হয়েছেন তৌফিক খান, ০ রান করে আউট মুবিন আহমেদ দিশান। পিনাক ঘোষ ১৭ ও অমিত হাসান ১১ রানে ব্যাট করছেন। সিলেট পিছিয়ে আছে ১৭৭ রানে।

রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে চট্টগ্রামের বিপক্ষে ১ রানের  লিড নিয়েছে ঢাকা মেট্রো। চট্টগ্রাম আগে ব্যাট করে অলআউট ১৬০ রানে, ৪ উইকেট করে নিয়েছেন রাকিবুল হাসান ও আরিফ আহমেদ। প্রথম দিনের খেলা শেষে ঢাকা মেট্রোর সংগ্রহ ৩৩ ওভারে ৩ উইকেটে ১৬১ রান। নাঈম শেখ ৪২, আনিসুল ইসলাম ইমন ৪৫ ও মার্শাল আইয়ূব ৩৬ রান করে আউট হয়েছেন। আইচ মোল্লা ৩৫ রানে  অপরাজিত, সঙ্গে রাকিবুলের রান ১*।

বগুড়ায় ঢাকার বিপক্ষে ২৮৯ রানে প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছে বরিশাল, সোহাগ গাজি সর্বোচ্চ ৭৮ রান করেছেন আর ফজলে মাহমুদ করেন ৬৪ রান। ঢাকা দিনের শেষ ১ ওভার ব্যাট করেছে তবে কোন রান করতে পারেননি দুই ওপেনার রনি তালুকদার ও জিশান আলম।

খুলনায় বৃষ্টির কারণে খেলা হয়েছে মাত্র ২৫ ওভার। তাতে আগে ব্যাট করে রংপুরের বিপক্ষ খুলনার সংগ্রহ ২ উইকেটে ৭৯ রান। আনামুল হক বিজয় অপরাজিত ৫০রানে।