পুলিশের প্রতি মানুষের মনে ঘৃণা সৃষ্টির জন্য শেখ হাসিনা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর পিটিআই মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে চট্টগ্রাম বিভাগে নিহত ও আহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
সারজিস আলম বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের মতো একটি প্রতিষ্ঠানকে পশুর মতো ব্যবহার করে তারা দেশের মানুষকে নরপশুর মতো খুন করেছে। পুলিশের পোশাক দেখে এখনো আমাদের ভীতির সৃষ্টি হয়।
পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা ক্ষমতার লোভে, পদের লোভে ওই পোশাকটিকে অপব্যবহার করে সারাদেশে নানা রকম কুকর্মে সহযোগিতা করেছেন।
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সারজিস আলম বলেন, সেনাবাহিনী যদি চাইতো ৫ আগস্ট ১০ হাজার মানুষকে খুন করে হাসিনাকে মসনদে বসিয়ে রাখতে পারতো। কিন্তু তারা সেটা করেনি। তারা তাদের প্রতিষ্ঠানের সম্মানের কথা চিন্তা করেছেন।
তিনি বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশে এখনো সেই খুনিদের রাজনৈতিক অধিকার নিয়ে কথা বলা হয়। খুনিরা হচ্ছে একেকজন প্যাথলজিক্যাল কিলার। ওই কিলার গোপালগঞ্জের শেখ পরিবার থেকে উঠে এসেছে। এই খুনি বিগত ১৬ বছরে বাংলাদেশের মানুষকে নানাভাবে খুন করেছে। কিন্তু তারা মিডিয়াসহ পুরো বাংলাদেশকে জিম্মি করে রাখায় এগুলো এতদিন সামনে আসেনি।’
‘শহীদ পরিবারের পাশে বাংলাদেশ’ শিরোনামে এ অনুষ্ঠানে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগের ১৫২ পরিবারের মধ্যে ১০৫ পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা করে চেক হস্তান্তর করা হয়।