সাংবাদিকদের সহায়তা ছাড়া ফ্যাসিস্টদের হটানো সম্ভব ছিল না: রাশেদ

দেশ প্রেমিক সাংবাদিকদের সহায়তা ছাড়া ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারকে হটানো সম্ভব ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে তার নিজ জেলা ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তি সব সময় নিজের আসন ও ক্ষমতা পাকাপোক্ত করে রাখতে পদলেহী সাংবাদিক তৈরী করে। শেখ হাসিনাও এর ব্যাতিক্রম ছিল না। তার দালাল ও চাটুকার সাংবাদিকরা পেশাদারিত্বের পরিবর্তে চাটুকারিতার পথ বেছে নিয়ে শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তারা দেশের গণশত্রু। ওই সব দালাল সাংবাদিকদের বিচার করতে না পারলে বিপ্লবীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে। ছাত্র-জনতার গণবিপ্লব একটি দুর্নীতি, লুটপাট, দখলদারিত্ব ও বৈষম্যবিরোধী একটি সমাজ বিনির্মাণে প্রেরণা যোগাবে। সেই লক্ষ্যে তাদের দল গণঅধিকার পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে। 

তিনি আরও বলেন, জুলাই ছাত্র-জনতার বিপ্লবের সময় খুনি হাসিনার দোসর পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আওয়ামী লীগ ক্যাডারদের গণহত্যার বিভৎস্য ছবি সাংবাদিকরাই তুলে মিডিয়ায় প্রচার করেছিলেন। ফলে হাসিনার পতন ত্বরান্বিত আমাদের জন্য সহজ করে দেয়। এই সমাজ সভ্যতা যতদিন থাকবে সাংবাদিকদের তোলা ছবি ও ভিডিও ফুটেজ বিপ্লবীদের একদিকে যেমন অনুপ্রেরণা যোগাবে তেমনিভাবে গণহত্যার এই বিভৎস্য ভয়াবহ স্মৃতি স্বজনদেরকে আবেগতাড়িত করবে। দেশ পরিবর্তনে সাংবাদিকদের অবদান সব থেকে বেশি। 

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও প্রশাসনের পরতে পরতে তার দোসররা বসে আছে। যারা ছাত্রদের গুলি করে মেরেছে তাদের এখনো ধরা হয়নি। সিভিল ও পুলিশ প্রশাসনে কোনো গতি নেই। জেলায় জেলায় দুর্নীতিবাজ ও আওয়ামী লীগের দোসররা বহাল রয়েছে। 

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি রাকিবুল হাসান, সংগঠনের ঝিনাইদহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল জাহিদ রাজন, যুব অধিকার পরিষদের রাকিবুল হাসান রাকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিশন আলী, ছাত্র অধিকার পরিসদের সভাপতি আব্দুল্লা আল মামুন ও ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদ মো. রিহান হাসান রায়হান।