বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণের ফলে কাজে মনোযোগ আসে। এমন লক্ষ্য নির্ধারণ করা যায় SMART কৌশলের মাধ্যমে। Specific, Measurable, Achievable, Realistic এই পাঁচটি শব্দের প্রথম অক্ষর নিয়ে এই কৌশলটির নামকরণ করা হয়েছে।
Specific : লক্ষ্যটি হতে হবে সুনির্দিষ্ট। লক্ষ্যটি কাগজে যত সুনির্দিষ্টভাবে লেখা সম্ভব লিখুন।
Measurable : : লক্ষ্যটি অবশ্যই পরিমাপযোগ্য হতে হবে। পরীক্ষায় ভালো করব এটি পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য নয়। কারণ ভালোর কোনো পরিমাপ নেই। জিপিএ ৫ অর্জন করব এটি পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য।
Achievable : লক্ষ্য সব সময় অর্জনযোগ্য হতে হবে। রাতারাতি পরিবর্তনের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করবেন না। কারণ রাতারাতি কোনো লক্ষ্য অর্জিত হয় না।
Realistic : লক্ষ্য হতে হবে বাস্তবসম্মত। আকাশকুসুম কল্পনা কখনো আদর্শ লক্ষ্য হতে পারে না। অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর সে বছরই এসএসসি পাসের লক্ষ্য নির্ধারণ একটি অবাস্তব লক্ষ্য। অষ্টম শ্রেণিতে জিপিএ ৫ পাওয়ার লক্ষ্য একটি বাস্তব লক্ষ্য।
Timeframe : লক্ষ্যকে একটি সময়কাঠামোয় আবদ্ধ করতে হবে। এই সময়কাঠামো আপনাকে লক্ষ্য অর্জনে প্রেরণা জোগাবে। নির্দিষ্ট সময় পরপর চেকলিস্ট পরীক্ষা করে দেখুন লক্ষ্যপানে কতটুকু এগোলেন। যদি লক্ষ্যপূরণ না হয় তাহলে কীভাবে পূরণ করবেন তার পরিকল্পনা করুন।