নাফ নদীর মিয়ানমার অংশে নিষেধাজ্ঞা আরাকান আর্মির

বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যের মংডু শহরও শতভাগ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। নিয়ন্ত্রণ নিয়েই নাফ নদীর মিয়ানমারের অংশে অনির্দিষ্টকালের জন্য নৌ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তারা। এরপরই নাফ নদীতে নৌ চলাচলে সতর্কতা জারি করে টেকনাফ জুড়ে মাইকিং করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে বিজিবির টহল।

বিজিবির টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর সৈয়দ ইশতিয়াক মুর্শেদ। এক বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সীমান্তের নাফ নদীতে টহল তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সোমবার টেকনাফ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-৬ থেকে বিআরএম-১০ পর্যন্ত নাফ নদীর ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোয় এবং বাংলাদেশের জলসীমায় বিদ্যমান দ্বীপের আধিপত্য বিস্তারের জন্য নৌ টহল পরিচালনা হচ্ছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশি জেলেসহ সব নৌযান চলাচলকারীদের সেদিকে না যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে টেকনাফ এলাকায় মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর সঙ্গে আরকান আর্মির যুদ্ধ চলছে।

ইউএনও বলেন, আরাকান আর্মি টেকনাফ বর্ডার এলাকায় সে দেশের সীমান্ত পুরোপুরি দখলে নিয়েছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে। তারা সে দেশের জলসীমানায় নাফ নদীতে সব নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়। তাই আমরাও টেকনাফের ফিশিং ট্রলার মালিকদের অবগত করেছি। নাফ নদী সীমান্ত এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই সেখানে কোনো ট্রলার না যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছে।