আসাদের নিরাপত্তাবাহিনী ভেঙে দেবেন জোলানি

আসাদ সরকারের নিরাপত্তাবাহিনী ভেঙে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সিরিয়ার বিদ্রোহীদের প্রধান কমান্ডার আবু মোহাম্মদ আল জোলানি। এর পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের কুখ্যাত কারাগার সেদনায়াসহ বেশ কয়েকটি কারাগার বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে সরকারি বাহিনীর হয়ে নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির মুখোমুখি করার কথা জানান হায়াত তাহরির আল শামের এই নেতা। বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি। সিরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনকে দেওয়া পৃথক এক বিবৃতিতে জোলানি বলেছেন, বন্দিদের নির্যাতন বা হত্যার সঙ্গে যেসব লোকজন জড়িত, তাদের খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করা হবে। তিনি বলেন, তাদের ক্ষমা করার প্রশ্নই আসে না।

সিরিয়ার সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। বাশার আল-আসাদের পতনের পর এখন পর্যন্ত তারা সিরিয়ায় ৫ শতাধিক হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এ তথ্য দিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, সবশেষ লাতাকিয়া ও তারতুসের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। সিরিয়া বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন। বুধবার দেশটির প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন এ তথ্য জানিয়েছে।

পেন্টাগনের বিবৃতিতে বলা হয়, এ বিষয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন লয়েড অস্টিন। এ সময় সিরিয়া ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

এদিকে, বাশার আল-আসাদের পতনের পর তুরস্ক থেকে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন সিরিয়ার শরণার্থীরা। তুরস্কের সীমান্তে সিরীয় শরণার্থীদের দীর্ঘ সারি পড়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সীমান্ত পার হওয়ার অপেক্ষা আছে প্রায় ১০০টি ট্রাক। রবিবার আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়া সীমান্তের সিলভেগোজুসহ বেশ কয়েকটি গেট খুলে দিয়েছে তুরস্ক।