২০০৮ সালের মার্চ মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্ট ম্যাচটি খেলেছিলেন টিম সাউদি। ১৬ বছর ও ১০৬ টেস্ট পর হ্যামিল্টনে সেই একই দলের বিপক্ষে শেষ টেস্টটি খেলে ফেললেন নিউজিল্যান্ডের তারকা এই পেসার। সাবেক এ অধিনায়ক রেকর্ড জয় দিয়েই বিদায় সম্মান জানিয়েছেন কিউই ক্রিকেটাররা। নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ৪২৩ রানের রেকর্ড গড়ে ইংলিশদের হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড।
১০৭ টেস্টের ক্যারিয়ারে ৩৯১ বার ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন সাউদি। শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে উইকেট না পেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ২টি উইকেট নেন সাউদি। তার ইনিংসে ক্যারিয়ারসেরা ফিগার ৬৪ রানে ৭ উইকেট, ম্যাচে ১০৮ রানে ১০ উইকেট। ব্যাট হাতে ৯৮টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন সাউদি।
প্রথম দুই টেস্ট জিতে সিরিজ অবশ্য আগেই নিজেদের করে নিয়েছিল ইংল্যান্ড। ৬৫৮ রানের রেকর্ড লক্ষ্য তাড়ায় হ্যামিল্টনে শেষ টেস্টের চতুর্থ দিনে ২ উইকেটে ১৮ রান নিয়ে শুরু করা ইংল্যান্ড অলআউট হয় ২৩৪ রানে।
তৃতীয় উইকেটে ইংল্যান্ডকে ১০৪ রান এনে দেন জ্যাকব বেথেল ও জো রুট। রুট থামেন ৫৪ রানে, বেথেল করেন ৭৬ রান। ইনিংসে ৪ উইকেট শিকার করেন মিচেল স্যান্টনার। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেটের সঙ্গে ৭৬ ও ৪৯ রানের ইনিংসের কারণে ম্যাচসেরা হন তিনি। টেস্টে রানের হিসেবে নিউজিল্যান্ডের এটি সবচেয়ে বড় জয়। ২০১৮ সালে ক্রাইস্টচার্চে শ্রীলঙ্কাকেও একই ব্যবধানে হারিয়েছিল কিউইরা।
সাউদিকে বিদায় সম্মাননা জানাতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি স্যার রিচার্ড হাডলি। তার হাত থেকে বিদায়ী স্মারক তুলে নেন সাউদি। ইংল্যান্ডকে সিরিজ জয়ের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। পরিবার, সকল ভক্ত এবং আমার সতীর্থরা মিলেই এই পথটিকে এতোটা স্মৃতিময় ও উপভোগ্য করে তুলেছেন।’