নরসিংদীতে কারখানা মালিক নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক খুন

নরসিংদীতে চাঁদা না দেওয়ায় নূর মোহাম্মদ (৪৮) নামে এক পাওয়ারলুম কারখানা মালিককে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। গতকাল শনিবার দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ।

নিহত নূর মোহাম্মদ সদর উপজেলার মাধবদী কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের কৌলাতপুর গ্রামের আলকাস মিয়ার ছেলে।

আটকরা হলেন রবিন (২১), রুবেল (২২), আলামিন (৪২) ও রকিব হোসেন (২১)।

জানা যায়, সম্প্রতি রবিন, রকিব, আলামিন, রুবেলসহ বেশ কয়েকজন নূর মোহাম্মদের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তবে তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করেন। এর জেরে গত শুক্রবার রাতে নূর মোহাম্মদকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আটক চারজনসহ আরও একজন মিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। লাশ গুমের উদ্দেশে শনিবার ভোররাতে বস্তাবন্দি করে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ফেলে দিতে যান। এ সময় স্থানীয়রা দেখে তাদের আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং ওই চারজনকে আটক করে।

এদিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার শিয়াচর তক্কার মাঠ এলাকায় গত শুক্রবার রাতে সন্ত্রাসীরা সিয়াম (১৮) নামের এক হোসিয়ারি কারখানার শ্রমিককে কুপিয়ে হত্যা করেছে। নিহত সিয়াম পিলকুনী এলাকার হালিম খানের ছেলে। এ ঘটনায় গতকাল শনিবার হালিম খান ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১২ জনকে আসামি করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেছেন। সন্ত্রাসীরা সিয়ামের সঙ্গে থাকা তার দুই বন্ধু সোবহান ও মিলনকে কুপিয়ে আহত করেছে।

নিহতের বাবা হালিম খান জানান, আহত অবস্থায় সিয়ামকে নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এছাড়া নাটোরের বড় হরিশপুর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান থেকে তরুণ কুমার দাস (৫৫) নামে এক ব্যক্তির হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার সকালে শ্মশানের ভোগ ঘরের বারান্দায় তার মরদেহ পড়েছিল।

নিহত তরুণ কুমার দাস শহরের আলাইপুরের কালীপদ দাসের ছেলে। মহাশ্মশান কমিটির সাধারণ সম্পাদক সত্য নারায়ণ টিপু বলেন, ‘শ্মশানের প্রহরী দুলাল চন্দ্র প্রামাণিক সকালে শ্মশানে গিয়ে দেখতে পান ভোগ ঘরের বারান্দায় তরুণ দাসের মরদেহ পড়ে আছে। সংবাদ পেয়ে সেখানে গিয়ে দেখতে পাই শ্মশানের ভা-ার কক্ষের গ্রিল কাটা। ওই কক্ষ থেকে কাঁসার কিছু বাসনকোসন চুরি হয়েছে।’ নিহত তরুণের ছেলে তপু কুমার দাস বলেন, তার বাবা দীর্ঘদিন যাবৎ শ্মশানে থাকতেন। তিনি তার বাবার হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন।