নিষিদ্ধ তবু রাজনীতি চালু

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৯ দফা দাবির মধ্যে অন্যতম ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দলীয় ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রাজনীতি বন্ধের দাবি আরও জোরালো হয়। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ হয় ছাত্ররাজনীতি। তবে আইনে রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও বাস্তবে দেখা যায়নি কোনো পদক্ষেপ। বেশিরভাগ ক্যাম্পাসেই ছাত্র সংগঠনগুলো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করছে। যদিও শুরু থেকেই রাজনীতি বন্ধের বিরোধিতা করে আসছেন ছাত্রনেতারা।

গত ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে দেশের অন্তত ১৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, ৪টি সরকারি কলেজ ও ১০টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হয়। এর মধ্যে ২৭টিতে ছাত্ররাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনীতিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, রাজশাহী কলেজ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিংহভাগ শিক্ষার্থীই কোনো দলীয় ছাত্ররাজনীতি না চাওয়ার কারণ হিসেবে গণরুম ও গেস্টরুম কালচার, টর্চার সেল, জোরপূর্বক রাজনৈতিক মিছিল-মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করানোকেই দায়ী করছেন। ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় ছাত্ররাজনীতি ও রাজনৈতিক কার্যক্রম বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অভিমত’ শীর্ষক ঢাকা ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটির এক গবেষণা জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে। জরিপে দলীয় ছাত্ররাজনীতি পুরোপুরি নিষিদ্ধ চাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি যে অবস্থায় আছে সে অবস্থায়ই চান মাত্র শূন্য দশমিক দুই শতাংশ শিক্ষার্থী। এর সংস্কার চান ১৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। এছাড়া ৮৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে দলীয় ছাত্ররাজনীতির কোনো গুরুত্ব নেই বলে মনে করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দলীয় রাজনীতি বন্ধ চেয়ে বিক্ষোভ-মিছিল ও সমাবেশ করেন একদল শিক্ষার্থী। পরবর্তী সময়ে গত সেপ্টেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনীতি বন্ধ রাখার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। তবে ওই সিদ্ধান্তের কোনো কার্যকারিতা এখন নেই বললেই চলে। ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ছাত্রদল, ছাত্রশিবিরসহ একাধিক ছাত্র সংগঠন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্রিয়াশীল ১০টি ছাত্র সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে নেতারা ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ না করে তা সংস্কারের পক্ষে মত দেন। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রাজনীতিচর্চার প্রকৃতি ও ধরন বিষয়ে প্রধান অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সুপারিশ করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. আব্দুল মতিন কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কমিটির মতামতের ভিত্তিতে ক্যাম্পাসে দলীয় রাজনীতি কীভাবে চলবে তা নির্ধারণ করে দেবে প্রশাসন।

গত ১৩ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির চৌধুরী। তবে জবি ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনীতি চলমান এবং ছাত্রসংগঠনগুলো নিজ নিজ অবস্থান থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, ক্যাম্পাসে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র অধিকার পরিষদসহ বেশ কিছু ছাত্র সংগঠন তাদের অবস্থান জানান দিচ্ছে, নতুন করে কমিটি গঠন করা হচ্ছে। সংগঠনগুলো ক্যাম্পাসেই তাদের সভা করছে, শোডাউনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাছাড়া শিক্ষক রাজনীতিও চলছে প্রকাশ্যে। গত ৪ ডিসেম্বর ক্যাম্পাসে সাংবাদিক জোটের আয়োজনে ‘বিপ্লবোত্তর ছাত্র ঐক্য’ প্রোগামে সব সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ অন্যতম।

এ বিষয়ে জবি ছাত্রদলের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসলাম বলেন, ক্যাম্পাসে রাজনীতি চলমান থাকা বা না থাকাটা নির্ভর করে শিক্ষার্থীদের চাহিদার ওপর। ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া দোসররাই একটি ভিত্তিহীন ও চক্রান্তমূলক দাবি তুলেছিল ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে। ক্যাম্পাসে রাজনীতি না থাকলে মূলত ২৪-এর পরাজিত শক্তিরাই লাভবান হতো। দেশপ্রেমী সাধারণ শিক্ষার্থীরা সেটা অনুধাবন করতে পেরেই তারা ছাত্ররাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইকবাল হোসেন বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা দেখেছিলাম সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি ওঠে। অন্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির প্যাটার্ন এক না। ছাত্রদের দাবি-দাওয়া, অধিকার ও জাতীয় রাজনৈতিক দলের চাপ সৃষ্টিকারী দল হিসেবে ছাত্র সংগঠনগুলো কাজ করে। ছাত্ররাজনীতি বন্ধ সমাধান নয়, যৌক্তিক পরিবর্তনই তার সমাধান হতে পারে।’

এছাড়া গত ৫ সেপ্টেম্বর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকা- নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে প্রশাসনের নির্দেশের তোয়াক্কা না করে বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠনের ব্যানারে একাধিক কর্মসূচি করেছে ছাত্রদল। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০৮তম সিন্ডিকেটে ‘লেজুড়বৃত্তিক’ ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কর্মসূচির পোস্টার লাগিয়েছেন দলটির কর্মীরা। গত ৮ আগস্ট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০তম (জরুরি) সিন্ডিকেট সভায় প্রথম সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের আলোকে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক দলের প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যভাবে কার্যক্রম করতে পারবে না বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও এ সবের তোয়াক্কা না করে সাম্প্রতিক সময়ে আবারও শিক্ষার্থীদের নিয়ে শোডাউন, হলে দলীয় প্রোগ্রাম, শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আনাগোনা এবং কেক কেটে দলীয় কার্যক্রম উদযাপন করার অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ আছে গত ১৩ আগস্ট থেকে। তা সত্ত্বেও ১৬ ডিসেম্বর রাতে পাবনা শহর শিবিরের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাকর্মীদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এছাড়া কর্মসূচি পালন করে শাখা ছাত্রদলও।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি বন্ধের বিষয়ে একমত হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্রশিবির, ছাত্র ইউনিয়নসহ কয়েকটি সংগঠনের নেতারা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেঘমল্লার বসু বলেন, ‘ছাত্ররাজনীতি বলতে এর সুষ্ঠু ধারার রাজনীতির একটা প্ল্যাটফরম তৈরি করতে হবে। যেখানে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ না করে বরং এটিকে শিক্ষার্থীবান্ধব করতে হবে। সে জন্য সবার আগে আমাদের গণতান্ত্রিক প্রচেষ্টায় আসতে হবে। ক্যাম্পাসে সিআর ইলেকশনের গঠনগত কাঠামো নির্ধারণ ও সিআরএস কাউন্সিল গঠন করার মাধ্যমে ডাকসু করার আগে যদি আমরা এটা করতে পারি তাহলে একটা ছাত্ররাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব। এই প্ল্যাটফরমকে এমনভাবে সাজানো উচিত যাতে কেউ প্রশ্ন না তুলতে পারে যে ছাত্ররাজনীতি থাকবে কি থাকবে না।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমি মনে করি ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু এমন ছাত্ররাজনীতি আমরা চাই না যে ছাত্ররাজনীতিতে মাদার পার্টি তার ছাত্র সংগঠনের প্রেসক্রিপশন লিখে দেবে। এই রিক্রুটমেন্ট পলিসি কখনোই শিক্ষার্থীবান্ধব হতে পারবে না। সেই রিক্রুটমেন্ট পলিসি থেকে বেরিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হওয়া উচিত।’

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম বলেন, সুষ্ঠু ধারার রাজনীতির জন্য সর্বপ্রথম ট্যাগিং কালচার বন্ধ করতে হবে। আমরা দেখেছি, বিশ্বজিৎকে হিন্দু শাখার কর্মী বলে কীভাবে নৃশংসভাবে মারা হয়েছে। আবরারকে কীভাবে ট্যাগিং দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই ধারা অব্যাহত থাকলে ছাত্ররাজনীতি নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠবে। ছাত্র সংগঠনগুলোর উদারতা, পারস্পরিক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, বাংলাদেশে গত সাড়ে ১৫ বছরে খুনি হাসিনা যে ফ্যাসিবাদ তৈরি করেছিল। সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ শিক্ষার্থীদের জোর করে মিছিলে নেওয়া, গেস্টরুম নির্যাতন, মানুষকে পিটিয়ে মেরে ফেলা, খুন, গুম, ছিনতাই, রাহাজানি, চুরিসহ যে অপরাধের রাজনীতি কায়েম করেছিল তার বিপরীতে ছাত্রদল একুশ শতক উপযোগী শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে প্রাধান্য রেখে তাদের পাশে থাকতে চায়। ছাত্রদল প্রত্যেকটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের অংশীদার করতে চায়। কোনো ক্যাম্পাসে রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি আমরা ছাত্ররাজনীতির বিপক্ষে না, লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতির বিপক্ষে। প্রচলিত ছাত্ররাজনীতি বা লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি মিনিমাইজ করার চেষ্টা করছি। রাজনীতি না বলে যদি ছাত্র সংগঠনের কথা বলি এটাকে তো নিশ্চিহ্ন করতে পারি না। আর বিচ্ছিন্নভাবে সব ধরনের ছাত্ররাজনীতি বিষয়ে আমরা নিরুৎসাহিত করার চেষ্টা করছি। সব প্রোগ্রামে সব ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা থাকছেন, আমরা এই কালচারটা তৈরি করার চেষ্টা করছি।

ক্যাম্পাসে রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়েমা হক বিদিশা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা গত সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেছি। পরে আমরা বিজ্ঞপ্তি আকারে জানিয়ে দেব ভাবছিলাম। তবে বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় আমরা আরেকটু সময় নিচ্ছি। বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আমাদের আলাপ-আলোচনা হয়েছে এবং হচ্ছে। আমাদেরও কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে আমাদের আরেকটু সময় লাগবে। এরপর আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাব।’