পটিয়ার (চট্টগ্রাম-১২) সাবেক এমপি ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরী ও তার পরিবারের ৬ সদস্যের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদের মধ্যে রয়েছে সামশুল হকের স্ত্রী কামরুন নাহার চৌধুরী, ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন, মেয়ে তাকলিমা নাছরিন চৌধুরী, তাহমিনা নাসরিন চৌধুরী, ভাই ফজলুল হক চৌধুরী ও মজিবুল হক চৌধুরী।
দুদক সূত্রে জানা যায়, সামশুল হকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি,সড়ক ও জনপদ বিভাগের কাজে প্রকৃত মূল্যের চেয়ে শতকরা ৪০ থেকে ৫০ ভাগ বেশি দরে প্রাক্কলন তৈরি করে টেন্ডারবাজি, নিয়োগ বাণিজ্য, মাদক চোরাকারবারি থেকে কমিশন গ্রহণ, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১(পটিয়া)'র সাবেক বহিষ্কৃত চেয়ারম্যান আলমগীর খালেদের মাধ্যমে বিলের ওপর অতিরিক্ত অর্থ আদায়সহ বিভিন্ন দপ্তরে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ পূর্বক নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদকের মহাপরিচালকের (তদন্ত-২) সিদ্ধান্ত মতে সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে সামশুল হক চৌধুরী ও তার পরিবারের ৫ সদস্যের নামে দেশের সকল ব্যাংকের যে কোন শাখায় কোন সঞ্চয়ী/চলতি/এফডিআর/ডিপিএস/ঋণ/লকার/সঞ্চয়পত্র বা অন্য কোন হিসাব থাকলে সেগুলোর হিসাব বিবরণী এবং তৎসংক্রান্ত রেকর্ডপত্র/তথ্যাদির সত্যায়িত কপি অতি জরুরি বিবেচনা করে সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়।
দুদক চট্টগ্রাম জেলার উপপরিচালক আতিকুল আলম বলেন, সামশুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে আমরা তদন্ত শুরু করেছি মাত্র। তার ব্যাপারে সব দপ্তরে তদন্ত করা হবে। অনিয়ম দুর্নীতির সন্ধান পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।