আমরা কোনও লুটেরাকে নেতা মানব না: জমিয়তের মহাসচিব

জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেছেন,  শপথ নিতে হবে এবার আমরা পেছনে ফিরে তাকাবো না। আমাদের বিশ্বস্ত পরীক্ষিত প্রতিনিধিকে এই মাটি থেকে এই জনপথ থেকে আমরা পার্লামেন্টে পাঠাবোই পাঠাবো। আমাদের বক্তব্য পরিষ্কার। আমরা কোনো লুটেরা মানুষকে নেতা বানাবো না। কোনো মিথ্যাবাদীকে কান্ডারি মানবো না। কোনো চোর বাটপারকে আমাদের নেতা বানাবো না। ভোটও একটি পবিত্র আমানত। আপনার ভোট পেয়ে যদি নেতা অন্যায় দুর্নীতি লুটপাটে জড়িয়ে পড়ে তাহলে তার দায় কিন্তু আপনার উপরেও পড়ে। 

শুক্রবার ২৭ ডিসেম্বর বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইরস্থ কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মুফতি মনির হোসেন কাসেমী একজন আলেমে দ্বীন। খিয়ানত করলে তার পরিণতি কী হয় সেটা তিনি জানেন। আগামী দিনে যাতে এই জনপদের মানুষ যাতে শান্তিতে বসবাস করতে পারে এবং কোনো কুচক্রী মহল যাতে মানুষের হক অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে সে জন্য মুফতি মনির হোসেন কাসেমীর মতো একজন সাহসী সিপাহসালারকে আপনাদের উপহার দিতে চাই। গত টার্মেই তিনি এমপি হয়ে গেছেন। আমরা বলতে পারি তিনি জনতার ভোটে নির্বাচিত এমপি। কিন্তু ভোট চোরেরা রাতের আধারে সেই ভোট চুরি ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। ওই চোর ডাকাতদের আমরা কাধে কাধ মিলিয়ে প্রতিহত করবো। এখন থেকেই প্রতিটি দিনকে কাজে লাগাতে হবে। প্রতিটি ঘরে ঘরে আপনাদের যেতে হবে। নারায়ণগঞ্জের মাটিকে জমিয়তের ঘাটিতে পরিণত করতে হবে।

সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জ জেলা জমিয়তের সভাপতি মুফতি মনির হোসেন কাসেমী ও সেক্রেটারি পদে মাওলানা ফেরদাউসুর রহমানের নাম ঘোষণা করেন প্রধান অতিথি।

কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি পদে আব্দুস সবুর কাসেমী, সহসভাপতি পদে তৈয়ব আল হোসাইনী, মুফতী সিব্বির আহমেদ, মুফতী মনিরুজ্জামান, মাওলানা ইব্রাহিম খলিল, মুফতী কাজী দেলোয়ার হোসাইন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতী হারুনুর রশিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাসুদুর রহমান ভূইয়া, হাজী জসিম আলী, রুহুল আমিন, মুফতী আলাউদ্দিন সহ আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।