শ্রীমঙ্গলে জাল দলিলে জমি দখল

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জাল দলিলের মাধ্যমে ১৮ শতাংশ জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে জমি উদ্ধার ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ সুপার বরাবর আবেদনও করেছেন জমির প্রকৃত মালিকপক্ষ।

জানা গেছে, যুক্তরাজ্য প্রবাসী শাহ মমতাজ কাহির ১৯৮৮ সালে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সুনগইড় মৌজায় সৈয়দ মো. মকসুদের কাছ থেকে ১৮ শতাংশ জমি কেনেন। এরপর থেকে জায়গাটি তিনি ভোগ-দখল করে আসছিলেন। ১৯৯৩ সালে জমির বিক্রেতা সৈয়দ মো. মকসুদ মারা যান। ২০১৮ সালে টুটন পাল নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি সৈয়দ মো. মকসুদ সেজে কাগজপত্র জাল-জালিয়াতি করে জায়গাটি মিজান মিয়া নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন। এর কিছুদিন পর মিজান মিয়া জায়গাটি সাকেরা আহমদের কাছে বিক্রি করেন। বর্তমানে জমিটি সাকেরা আহমদ ও তার পিতা আবদুল খালেকের দখলে রয়েছে। জাল-জালিয়াতির ঘটনাটি জানতে পেরে জমির প্রকৃত মালিক শাহ মমতাজ কাহির মৌলভীবাজার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন, যা চলমান রয়েছে। মামলার আসামিরা হলেন টুটন পাল, মিজান মিয়া ও সাকেরা আহমদ।

এ ব্যাপারে যুক্তরাজ্য প্রবাসী শাহ মমতাজ কাহিরের মামা মোস্তফা মিয়া বলেন, অবৈধভাবে জমি দখলের ঘটনায় আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। একইসঙ্গে পুলিশ সুপারের কাছেও একটি অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত টুটন পাল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আর মিজান মিয়া ও আবদুল খালেকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগ তদন্তের দায়িত্বে থাকা শ্রীমঙ্গল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মহিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।