বর্ষবরণের আতশবাজিতে প্রাণ গেল ৪ জনের

ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে আতশবাজি ফাটাতে গিয়ে পশ্চিম ইউরোপীয় দেশ জার্মানির বিভিন্ন প্রান্তে দুর্ঘটনায় অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এ সংক্রান্ত ঘটনায় রাজধানী বার্লিনে নববর্ষের রাতে ৩০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবং এএফপি বার্তা সংস্থার বরাতে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি ও ডয়চে ভেলে।

ডয়চে ভেলে জানায়, মঙ্গলবার রাতজুড়ে প্রায় গোটা দেশেই ব্যস্ত থাকতে হয় পুলিশ এবং দমকলকর্মীদের। আতশবাজির কারণে সৃষ্ট আগুন নেভাতে গিয়ে বেশ কিছু স্থানে আহত হয়েছেন দমকলকর্মীরা। বার্লিনে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এক দমকলকর্মী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বার্লিনের ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল জানিয়েছে, সেখানে আটজনকে ভর্তি করা হয়েছে। ভোরের দিকে আরো সাতজনকে ভর্তি করানো হয়েছে।

অন্যদিকে শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের দায়ে বর্ষবরণের রাতেই প্রায় ৩০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্লিন পুলিশ। বার্লিনের সিটি সেন্টারকে নো-ফায়ারওয়ার্ক জোন ঘোষণার পরও সেখানে কেউ কেউ আতশবাজি ফাটানোর চেষ্টা করেছিল বলে জানায় পুলিশ।

বার্লিন পুলিশের মুখপাত্র ফ্লোরিয়ান নাথ জানিয়েছেন, 'ভোর পর্যন্ত ৩২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।' বেশ কিছু পুলিশ অফিসারও আক্রান্ত হয়েছেন। মূলত বেআইনি আতসবাজি ফেটে তারা আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। কোলন পুলিশ জানিয়েছে, সেখানে দুজন অফিসার আহত হয়েছেন।

লাইপজিগে ৫০ জনের একটি দল দমকলকর্মীদের আক্রমণ করেন। হামবুর্গেও একই ঘটনা ঘটেছে।

তবে সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছে নইভিডে। জার্মানির পশ্চিমে এই ছোট্ট শহরে একটি গুদামে আগুন লেগে যায়। পুলিশের ধারণা, আতশবাজি থেকেই সেখানে আগুন লাগে। গুদামে কাঠ থাকায় দ্রুত আশপাশের বাড়িতে আগুন ছড়াতে থাকে। তবে দমকলকর্মীরা আশপাশের বাড়ির মানুষদের নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যান।